ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার উজানে আসাম ও গৌহাটিতে অব্যাহত বৃষ্টিপাতের ফলে গত দু’দিনে দেশের নদ-নদীর পানি আবার বাড়তে শুরু করেছে। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে আরো বহু এলাকা। গতকাল মঙ্গলবার ১৯টি পয়েন্টে নদ-নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র গতকাল পদ্মা নদী বাদে দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির তথ্য জানিয়ে বলেছে, আজ থেকে পদ্মা নদীর পানিও বৃদ্ধি পেতে শুরু করবে। এ সময়ে ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা অববাহিকার নদ-নদীর পানিও বৃদ্ধি পাবে।
এছাড়া ঢাকা মহানগরীর চার পাশের নদ-নদীর পানিও আজ থেকে বৃদ্ধি পাবে। আগামী অন্তত তিন দিন ঢাকার চারপাশের নদী অর্থাত্ বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু, তুরাগ ও টঙ্গি খালের পানি বাড়বে। ফলে নগরীর নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশংকা রয়েছে। ডেমরায় বালু নদীর পানি গতকাল ৮ সেন্টিমিটার, নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর পানি ২ সেন্টিমিটার, মিরপুরে তুরাগ নদের পানি ৬ সেন্টিমিটার ও টঙ্গি খালের পানি ৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।
এদিকে নীলফামারী, লাল-মনিরহাট, কুড়িগ্রাম, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা প্রভৃতি এলাকার নদ-নদীর পানি প্রবাহ আপাতত স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে বিভিন্ন জেলায় পানিবন্দী কয়েক লাখ মানুষের দুর্ভোগ কমেনি। হাজার হাজার হেক্টর জমির আমন ধান ও অন্যান্য ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।
গতকাল ডালিয়া তিস্তা, গাইবান্ধায় ঘাগট, চিলমারিতে ব্রহ্মপুত্র, বাহাদুরাবাদে সারিয়াকান্দি, সিরাজগঞ্জ ও আরিচায় যমুনা, বাঘাবাড়িতে আত্রাই, এলাশীনে ধলেশ্বরী, লাখপুরে লইক্ষ্যা, গোয়ালন্দে ভাগ্যকুল ও সুরেশ্বরে পদ্মা, কানাইঘাট সিলেট ও সুনামগঞ্জে সুরমা, দিরাইয়ে ওল্ড সুরমা, জারিয়াজাঞ্জাইলে কংশ এবং চাঁদপুরে মেঘনা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো আরো খবর।
মাদারগঞ্জ (জামালপুর): গতকাল বিকালে উপজেলার বালিজুড়ি ইউনিয়নের যমুনা বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের চর নাদাগাড়ী অংশের ২শ মিটার বাঁধ প্রচণ্ড পানির তোড়ে ভেঙ্গে গেলে আশপাশের আরো ১০টি গ্রাম নতুন করে প্লাবিত ও কয়েকশ হেক্টর জমির উঠতি ফসল তলিয়ে যায়। বাঁধটি ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে উপজেলা সদরের সাথে ঐ ইউনিয়নসহ প্রায় ৩০টি গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
ভাঙ্গুড়া (পাবনা): উপজেলার দিলপাশার, খানমরিচ, অস্টমণিষা ও ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের প্রায় ৭৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ৩০ হেক্টর রোপা আমন ও ১০ হেক্টর মাষকলাই পানিতে তলিয়ে গেছে।
নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম): উপজেলার ১০ ইউনিয়নের ৭০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এলাকায় খাদ্য, জ্বালানি, বিশুদ্ধ পানি ও গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে ১১ হাজার ১৩৭ হেক্টর জমির রোপা আমন ক্ষেত।
রাজারহাট (কুড়িগ্রাম): উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ডাংরারহাট এলাকায় তিস্তার ১ কিলোমিটার বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় বিদ্যানন্দ, নাজিমখাঁ, ঘড়িয়ালডাঙ্গা ও দলদলিয়া ইউনিয়নের ২০ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ধান পানিতে তলিয়ে গেছে।
সারিয়াকান্দি (বগুড়া): যমুনার ভয়াবহ ভাঙ্গনে সারিয়াকান্দিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। যে কোন মুহূর্তে বাঁধ ভেঙ্গে পানি প্রবেশ করে সারিয়াকান্দি, ধুনট, গাবতলী উপজেলার কয়েক হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ও অন্যান্য ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশংকা করছে এলাকাবাসী। পানি উন্নয়ন বোর্ড বাঁধ রক্ষায় জরুরিভিত্তিতে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং ও জনপদে বন্যার পানি প্রবেশ রোধকল্পে ‘রিংডাইক’ নির্মাণ করে পরিস্থিতি মোকাবেলার চেষ্টা করছে। এদিকে গতকাল মঙ্গলবার পানি সম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ সারিয়াকান্দিতে নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করে জানান, যমুনায় ভাঙ্গন রোধে ৩১০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।
বগুড়া: ধুনটে যমুনা নদীর ভাণ্ডারবাড়ি ইউনিয়নে বানিয়াজান স্পারের মাঝামাঝি স্থানে মাটির তৈরি ২৫ মিটার স্যাঙ্ক ধসে গেছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে এ ধসের ঘটনা ঘটে। এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় যমুনায় পানি ১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৬১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। স্পার রক্ষায় সেখানে জরুরিভাবে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার প্রস্তুতি চলছে। ভাণ্ডারবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিকুল করিম আপেল জানান, সকালে স্পার ধসে পড়ার খবর শুনে যমুনা পাড়ের মানুষের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
কুড়িগ্রাম: জেলায় ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও তিস্তাসহ সবকটি নদ-নদীতে আবারো নতুন করে পানি বেড়েছে। এতে দেড় শতাধিক গ্রামে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে দেড় লক্ষাধিক মানুষ। এছাড়া পানিতে তলিয়ে আছে ২১ হাজার হেক্টরের মতো বীজতলা ও রোপা আমনসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষেত।
গঙ্গাচড়া (রংপুর): তিন দফায় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তার প্রবল স্রোতে গত তিনদিনে উপজেলায় ৩’শ পরিবারের ঘরবাড়ি ও বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। তিস্তা কবলিত ইউনিয়নগুলোর বেড়িবাঁধ ভেঙে হুমকির মুখে পড়েছে তিস্তা প্রতিরক্ষা মূল বাঁধসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির ও হাজার হাজার পরিবার। ভাঙ্গন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে তিস্তা পাড়ের লোকজন।
জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ): উপজেলার সবকটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বিভিন্ন হাওরের ২৭০ হেক্টর জমির রোপা আমন ফসল তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।
নাগরপুর (টাঙ্গাইল): যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নাগরপুরের চরাঞ্চলের মানুষসহ হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে রাস্তা-ঘাটসহ শতশত একর জমির ধান ও শাক-সবজি। আবাদী জমিসহ সাড়ে পাঁচশতাধিক পরিবারের বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভেসে গেছে শতাধিক পুকুরের মাছ।
উলিপুর (কুড়িগ্রাম):ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তায় ফের পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এলাকার চর ও দ্বীপচরে প্রায় ৩০ হাজার পানিবন্দী মানুষ ১৩ দিন ধরে নিদারুণ কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।
সদরপুর (ফরিদপুর) : পদ্মা ও আড়িয়াল খাঁয় বন্যার পানি আরো ১ সেঃ মিঃ বৃদ্ধি পেয়ে গতকাল বিপদসীমার ২ সেঃ মিঃ ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানি বৃদ্ধির ফলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ৫টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।
মদন (নেত্রকোনা) : উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে আগাম লাগানো রোপা-আমন ধান ও বীজতলা পানিতে তলিয়ে গেছে। নিম্নাঞ্চলের শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
মুন্সীগঞ্জ : ভাগ্যকুল পয়েন্টে পদ্মার পানি আরও ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে মঙ্গলবার সকালে বিপদসীমার ১৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। ফলে শ্রীনগর, লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী উপজেলার পদ্মা অববাহিকার নিম্নাঞ্চলের আরও নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। এদিকে লৌহজং উপজেলার কুমারভোগে পদ্মা নদীতে ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। উপজেলার কনসার গ্রামে গিয়ে দেখায় যায় বহু পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদল জানান, বন্যার্তদের জন্য সরকারিভাবে ১শ’ টন চাল বরাদ্দ হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে।
সোনাতলা (বগুড়া): পাঁচ সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্দী ও সহস্রাধিক হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়েছে। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে সোনাতলার যমুনায় পানি বাড়ছে।
মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা) : ধনু নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ফলে অসংখ্য পুকুর তলিয়ে ভেসে গেছে লাখ লাখ টাকার মাছ। বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকায় অনেক পরিবার অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে।
সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) : উপজেলায় পানির তোড়ে রামডাকুয়া ব্রিজটি হুমকির মুখে পড়েছে।
তিস্তা- ব্রহ্মপুত্র নদ-নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় উপজেলার ৭ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ব্রিজটি রক্ষার্থে এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে বাঁশের পাইলিং ও বালুর বস্তা ফেলা শুরু করেছে।
লালমনিরহাট: ভারতের গজল ডোবা ব্যারেজের সব গেট খুলে দেয়ায় তিস্তা নদীর পানি গতকাল সন্ধ্যায় ডালিয়া পয়েন্টে ৮ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ২৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তিস্তা ও ধরলা নদী তীরবর্তী চারটি বাঁধ ও একটি পাকা সড়ক ভেঙ্গে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে ৩৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। প্রায় ৮ হেক্টর জমির ফসল ডুবে গেছে।
রংপুর: গঙ্গাচড়া উপজেলার আলমবিদিতর ইউনিয়নের পাইকান গ্রামে তিস্তার ভাঙ্গনে প্রায় ৩শ’ পরিবারের বাড়িঘর এবং প্রায় ৫০ হেক্টর জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে পড়েছে তিস্তা ডানতীর প্রতিরক্ষা মূলবাঁধ। ভাঙ্গন কবলিত মানুষজন তাদের ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। আবার অনেকেই বাড়িঘর, জমিজমা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। নদী ভাঙ্গন রোধে তিস্তার ডানতীরের বিভিন্ন পয়েন্টে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে জরুরি প্রতিরক্ষামূলক কাজ অব্যাহত রয়েছে। ভাঙ্গন রোধে কোমর বেঁধে নেমেছে এলাকাবাসীও।
ডিমলা (নীলফামারী): তিস্তার পানি বৃদ্ধিতে ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ১৫টি গ্রামের ১৫ সহস াধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। এসব এলাকার ঘরবাড়ি হাঁটু সমান পানিতে তলিয়ে রয়েছে। মানুষজন তিস্তার ডান তীর প্রধান বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে।
দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা): ঢাকার দোহার উপজেলার নয়াবাড়ী ইউনিয়নের বাহ্রাঘাট বাজারের অর্ধশত দোকান গত ২৪ ঘন্টায় পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া দোহার-মানিকগঞ্জ বেড়িবাঁধের ৮/১০ ফুট অংশ ভেঙ্গে গেছে। ভাঙ্গন আতংকে নির্ঘুম রাত পার করছে এলাকার অসহায় মানুষগুলো।
দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল করিম ভুঁইয়া বলেন, উপজেলা পরিষদ থেকে ভাঙ্গন রক্ষায় সাময়িকভাবে ইটের বস্তা ও বাঁশ ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে স্থায়ী কোন ব্যবস্থা না নিলে এ ভাঙ্গন ঠেকানো যাবে না।
হেলিকপ্টার থেকে উপদ্রুত এলাকা দেখলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী
গাইবান্ধা প্রতিনিধি জানান, জেলায় দ্বিতীয় দফায় নদ-নদীর পানি বাড়ছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে হেলিকপ্টারে উড়ে পানিসম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ জেলার পানিবন্দী এলাকা ঘুরে দেখেছেন। তবে মন্ত্রী মাটিতে অবতরণ না করায় এলাকাবাসী অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল আউয়াল জানান, মন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টার সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার উপর দিয়ে গিয়েছে এসময় মন্ত্রীর সাথে ছিলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম এবং পাউবোর মহাপরিচালক শহীদুর রহমান।
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, পানি সম্পদমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি বলেছেন, যমুনা নদীর ভাঙ্গনরোধে বিশ্বব্যংকের অর্থায়নে প্রায় আট হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।
গতকাল বেলা ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জ শহরের মোল্লাবাড়ি ক্রসবার বাঁধ পরিদর্শেনের সময় মন্ত্রী একথা বলেন। মন্ত্রী নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রানীগ্রাম, সিমলা ও পাঁচঠাকুরী এলাকা পরিদর্শন করেন।
