নৌপথে পর্যটক পরিবহনে ভারতের সঙ্গে চুক্তি করবে বাংলাদেশ:অর্থমন্ত্রী

আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০১৪, ১৭:২৮
 
 
 
নৌপথে পর্যটক বাড়াতে ভারতের সঙ্গে চুক্তি করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের একটি নৌ-চুক্তি রয়েছে, সেটা ১৯৬৫ সালের এবং এটা শুধু কার্গো কিংবা মালামাল পরিবহনের জন্য। ভারতের সঙ্গে সড়ক ও রেলপথে যাত্রী পরিবহনের ব্যবস্থা রয়েছে। এখন পর্যটকদের স্বার্থে নৌ-পথে যাত্রী পরিবহন সংক্রান্তও একটি চুক্তি করা দরকার। আজ বুধবার সচিবালয়ে পর্যটন বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
অর্থমন্ত্রী বলেন, পর্যটন বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন প্রধানমন্ত্রী চূড়ান্ত অনুমোদন দিলেই চুক্তি সই করা হবে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, সিঙ্গাপুর থেকে একটি আন্তর্জাতিক নৌরূট বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছে। আমরা চেষ্টা করব ওই রূটে ঢুকে যাওয়ার। পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানোরও ব্যবস্থা হবে। তিনি আরো বলেন, পর্যটনের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম বিশেষ এলাকা। তাই ওই এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। পাশাপাশি কক্সবাজারের শহর রক্ষা প্রকল্পেও জোর দেয়া দরকার। দেশে পর্যটনের বিকাশের লক্ষ্যে ২০১৮-১৯ সালে সোনারগাঁওয়ে বড় পরিসরে উত্সবের আয়োজন করা হবে। আন্তর্জাতিক যেসব প্যাকেজ ট্যুর বাংলাদেশে আসে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা প্রয়োজন। আমাদের বিশেষ প্রোগ্রাম হওয়া উচিত্ নদীমাত্রিক।
অর্থমন্ত্রী বলেন, পর্যটনের স্বার্থে কক্সবাজার থেকে রেল লাইনসহ কয়েকটি সংযোগ প্রয়োজন। এ ছাড়া কুয়াকাটা পর্যন্ত নৌ ও সড়ক সংযোগের উন্নয়ন করতে হবে, বাড়াতে হবে প্রচার। বাংলাদেশের পর্যটন খাতে পরিবর্তন এসেছে দাবি করে অর্থমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারে ১৯৬২ সালে গিয়েছিলাম। সর্বশেষ গিয়েছি ২০১০ সালে। সেখানে গেলে মনে হয় এটি একটি অন্য দেশ।
বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, নৌমন্ত্রী শাজাহান খান, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং পর্যটন করপোরেশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
 
ইঅ/চৌফে/শ২৬৪