মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার এশিয়ান আমেরিকান এন্ড প্যাসিফিক আইল্যান্ড বিষয়ক উপদেষ্টা ড. এন. নীনা আহমেদ বলেছেন, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ইমিগ্র্যান্ট কমিউনিটির মর্যাদা বোঝেন। ইমিগ্র্যান্ট কমিউনিটির স্বার্থে কাজ করার জন্যই তিনি আমাকেসহ আরো ১৪ জনকে তার উপদেষ্টা নিয়োগ করেছেন।
তিনি বলেন, ইমিগ্র্যান্টরা কী কী সুযোগ সুবিধা পেতে পারেন তা জানার উপায় হলো মিডিয়া। বাংলাদেশি কমিউনিটির স্বার্থে এই কাজটি গত ২৫ বছর ধরে করে যাচ্ছে উত্তর আমেরিকায় সবচেয়ে পাঠকনন্দিত পত্রিকা সাপ্তাহিক ঠিকানা।
স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের ফ্যাশিংয়ের ওয়ার্ল্ডফেয়ার মেরিনায় সাপ্তাহিক ঠিকানার প্রাক ২৫তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ড. নীনা আহেমেদ।
তিনি আরো বলেন, ফেডারেল সরকারের সুবিধাগুলো পেতে হলে বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য আমি হচ্ছি দরজা। যা দিয়ে আপনারা ঘরে প্রবেশ করে সুযোগ সুবিধাগুলো আদায় করতে পারেন। প্রেসিডেন্ট ওবামা যখন আমাকে নিয়োগ করেছিলেন, একজন বাংলাদেশি হিসেবে আমি গর্ববোধ করেছিলাম। এখনো আমি একজন বাংলাদেশি আমেরিকান হিসেবে গর্বিত।
ড. নীনা আহমেদ হলভর্তি অডিটোরিয়ামে উপস্থিত বাংলাদেশিদের উদ্দেশে বলেন, পৃথিবীতে একমাত্র জাতি বাংলাদেশিরা যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছিলো। আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি এবং ইতিহাস ঐতিহ্যকে এই প্রবাসে ঠিকানার মাধ্যমে খুঁজে পাচ্ছি। প্রবাসে আমাদের এগিয়ে যেতে হলে এবং বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মহিলাদেরও সমান অংশীদার করতে হবে।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্ক সিটির ডেপুটি মেয়র রিচার্ড বুয়েরি, নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান, নিউইয়র্ক সিটির সাবেক কম্পেট্রোলার জন ল্যু, মূলধারার রাজনীতিক গিয়াস আহমেদ, বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পী এন্ড্রু কিশোর, কনক চাঁপা, রিজিয়া পারভীন, শাহনাজ বেলী প্রমুখ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন ঠিকানা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি এম এম শাহীন, ঠিকানার প্রধান সম্পাদক মুহম্মদ ফজলুর রহমান, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদ, কমিউনিটি লীডার মোহাম্মদ এন মজুমদার, এটর্নি মঈন চৌধুরী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং ব্যবসায়ীক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে সঙ্গীত পরিবেশন করেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পী ফকির সাহাবুদ্দিন।
