ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ২২ ভাগ

আপডেট : ৩১ আগস্ট ২০১৪, ১৮:২৫
টানা ১০ কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) পাঁচশ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হওয়ার পর রবিবার তা কমে গেছে।
আজ লেনদেন হয়েছে ৪৯৪ কোটি টাকা। যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ২২ ভাগ কম। লেনদেন কমার প্রবণতা একইভাবে কমেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)।
ডিএসই’র লেনদেনে সবচেয়ে বেশি অবদান ছিল ওষুধ খাতের। এ খাতে লেনদেন হয়েছে ৮০ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। যা মোট লেনদেনের ১৬ ভাগেরও বেশি। এছাড়া ইঞ্জিনিয়ারিং, জ্বালানি ও বস্ত্র খাতেও বড় অঙ্কের লেনদেন হয়েছে।
আইডিএলসির দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গত কয়েক দিন বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা থাকার পর এখন দরপতন স্বাভাবিক। তবে লেনদেন তুলনামুলকভাবে কম হয়েছে। ডিএসইতে লেণদেনকৃত ৫৯টি কোম্পানির শেয়ারদর পরিবর্তন হয়েছে ৩ শতাংশেরও বেশি। এদিকে দর বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল খাদ্য ও পানীয় খাত। আর সবচেয়ে বেশি দর পতন হয়েছে সিমেন্ট খাতের কোম্পানিগুলোতে।
তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ২৮ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৫৪৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭১৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪৯৪ কোটি ৬ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৩৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৯৭টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৯টির, কমেছে ১৭২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ১২৭ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৩৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৩৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৯ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ২১৭টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৫৫টির কমেছে ১৩৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৭টি কম্পানির শেয়ারের দাম।