বিশ্বখ্যাত ফোর্বস ম্যাগাজিনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স মোট আয় করেন তিন কোটি ৪০ লাখ ডলার। আর যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ধনী ওয়ারেন বাফেট ২০১৩ সালেই আয় করেছেন ৩ হাজার ৬শ ত্রিশ কোটি ডলার। বাফেট গত বছর দৈনিক গড়ে তিন কোটি ৭০ লাখ ডলার আয় করেন; যা হলিউডের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্সের গোটা বছরের আয়ের সমান।
ফোর্বস ম্যাগাজিনের তৈরি করা বিশ্বসেরা ধনীদের তালিকায় বাফেট ছয় হাজার ৩৩০ কোটি ডলার মূল্যের নিট সম্পদ নিয়ে চলতি বছরে চতুর্থ হয়েছেন; যা আাফ্রিকার ঘানা ও এশিয়ার কম্বোডিয়ার সম্মিলিত জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) চেয়েও বেশি। ২০১৩ সালে ঘানা ও কম্বোডিয়ার জিডিপির আকার ছিল যথাক্রমে চার হাজার ৭৯২ কোটি ৮৭ লাখ ১৭ হাজার ৯৪৯ ডলার ও এক হাজার ৫২৪ কোটি ৯৬ লাখ ৮৪ হাজার ৩৯৭ ডলার।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে (১৯৩৯-৪৫ সাল) ১৯৪১ সালে বাফেট প্রথম শেয়ার ব্যবসায় নামেন। মাত্র ৩৮ ডলার দিয়ে নিজের জন্য তিনটি ও বোনের জন্য তিনটি শেয়ার কেনেন তিনি। এরপর ওই শেয়ারের ৩০ শতাংশ কমে যায়। এতে কিন্তু তাঁর আত্মবিশ্বাস কমেনি। ওই শেয়ারের দাম আবার ঘুরে দাঁড়াল। যখনই শেয়ারের দাম ৪০ ডলারে উঠল, অমনি তিনি তা বিক্রি করে দিলেন। কয়েক মাস পরে অবশ্য ওই শেয়ারের দাম ২০০ ডলার পর্যন্ত ওঠে।
বাফেট এ পর্যন্ত দুই হাজার কোটি ডলার দান করেছেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে (১৯৩৯-৪৫ সাল) ১৯৪১ সালে বাফেট প্রথম শেয়ার ব্যবসায় নামেন। মাত্র ৩৮ ডলার দিয়ে নিজের জন্য তিনটি ও বোনের জন্য তিনটি শেয়ার কেনেন তিনি। এরপর ওই শেয়ারের ৩০ শতাংশ কমে যায়। এতে কিন্তু তাঁর আত্মবিশ্বাস কমেনি। ওই শেয়ারের দাম আবার ঘুরে দাঁড়াল। যখনই শেয়ারের দাম ৪০ ডলারে উঠল, অমনি তিনি তা বিক্রি করে দিলেন। কয়েক মাস পরে অবশ্য ওই শেয়ারের দাম ২০০ ডলার পর্যন্ত ওঠে।
বাফেট এ পর্যন্ত দুই হাজার কোটি ডলার দান করেছেন।
