তারেকের স্ত্রী চাকরি থেকে বরখাস্ত

আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ১১:১১
 
দীর্ঘদিন অনুমতি না নিয়ে বিদেশে অবস্থানের কারণে বিএনপির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানকে সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। সোমবার সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের এমপি তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুসের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য দেন।
সরকারি দলের আরেক এমপি এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী নাসিম জানান, দেশে ইবোলা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকার থেকে সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। স্থলসহ দেশের ২৫টি আন্তর্জাতিক বন্দরে ইবোলা সংক্রান্ত মেডিক্যাল টিমের কাছে পর্যান্ত পরিমাণ ঔষধের ব্যবস্থা রয়েছে। ন্যাশনাল মনিটরিং সেল গঠনের পাশাপাশি রাজধানীসহ ১৬টি জেলায় ‘ইবোলা আইসোলেশন ওয়ার্ড’ চালু করা হয়েছে। তবে এই রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মন্ত্রী আরো জানান, সম্ভাব্য ইবোলা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধকল্পে পশ্চিম আফ্রিকার চারটি দেশ- সিয়েরালিওন, লাইব্রেরিয়া, গিনি ও নাইজেরিয়া থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রে ইমিগ্রেশন বিভাগে আলাদা কাউন্টার খোলা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রে ২১ দিন পর্যন্ত বিশেষ পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে হযরত শাহজাহাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইবোলা সনাক্তকরণের জন্য বিশেষ থারমাল স্ক্যানার মেশিনের ব্যবস্থা করার জন্য বিশ্ব সংস্থাকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। 
জাতীয় পার্টির (জাপা) এ কে এম মাইদুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রী স্বীকার করেন, দেশে অবৈধ হাসপাতাল ও ক্লিনিক রয়েছে। বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। যারা উক্ত নীতিমালা অনুসরণ না করে অবৈধভাবে পরিচালনা করেন তাদের কার্যক্রম মনিটরিং ও তদারকীর জন্য জেলার সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে তদারকি টীম বিদ্যমান আছে। যদি কোন অবৈধ, লাইসেন্সবিহীন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায় বা সনাক্ত হয়, তাহলে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় উক্ত ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।
‘কোনো অজুহাত মানব না’
এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মফস্বলে নিয়োগপ্রাপ্ত ডাক্তারদের কারও না থাকার বিষয়ে আমি কোনো অজুহাত মানব না। যাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে, তাদের সেখানে থাকতেই হবে। এ ব্যাপারে তিনি সংসদ সদস্যদের সহযোগিতা চান।