গতবছর বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার সক্ষমতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১১০। এবার ১৪৪টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৯ এ। তবে স্কোর গত বছরের মতোই ৩ দশমিক ৭ই রয়েছে। ‘গ্লোবাল কম্পিটিটিভনেস রিপোর্ট ২০১৪-১৫’ প্রতিবেদনে এ তথ্য দেয়া হয়েছে।
সূচকের শীর্ষ দশটি দেশের মধ্যে সবার ওপরে রয়েছে সুইজারল্যান্ড (৫.৭০ পয়েন্ট)। বাকি নয়টি দেশ হচ্ছে যথাক্রমে সিঙ্গাপুর, যুক্তরাষ্ট্র, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, জাপান, হংকং, নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাজ্য।
প্রতিবেদনে ১৫ কোটি ৬৩ লাখ জনসংখ্যার দেশ বাংলাদেশের জিডিপির আকার দেখানো হয়েছে ১৪১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের। মাথাপিছু আয় ৯০৪ ডলার। বৈশ্বিক জিডিপিতে বাংলাদেশের অংশ ০ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
দেশগুলোর মোট ১২টি খাতের একবছরের প্রতিযোগিতার সক্ষমতায় অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে র্যাংকিং করা হয়। এগুলো হচ্ছে- প্রতিষ্ঠান, অবকাঠামো, বৃহৎ অর্থনৈতিক পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও প্রাথমিক শিক্ষা, উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, পণ্য বাজারের দক্ষতা, শ্রমবাজারের দক্ষতা, আর্থিক বাজারের উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, বাজারের আকার, ব্যবসায়িক নমনীয়তা এবং উদ্ভাবন।
এর মধ্যে প্রতিষ্ঠান খাতের সক্ষমতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান সবচেয়ে ভালো।
বাংলাদেশে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে দেখানো হয়েছে অপ্রতুল অবকাঠামোকে। এছাড়া দুর্নীতি, অদক্ষ আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, সরকারের অস্থিতিশীলতা, অর্থ পাওয়ায় সমস্যা, নীতির ভারসাম্যহীনতা, অপর্যাপ্ত দক্ষ লোকবল, অপরাধ ও চুরি, শুল্ক আইন, মূল্যস্ফিতি, বৈদেশিক মুদ্রা আইন, শুল্কহার, শ্রমশক্তির বিষয়ে দুর্বল নীতি, অপর্যাপ্ত উদ্ভাবন দক্ষতা, দুর্বল জনস্বাস্থ্য ও নিয়ন্ত্রিত শ্রম আইনকেও এখানে ব্যবসার ক্ষেত্রে বাধা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
মূল সূচকে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে নেপাল ১৫ ধাপ এগিয়ে ১০২, ভুটান ছয় ধাপ এগিয়ে ১০৩, মিয়ানমার পাঁচ ধাপ এগিয়ে ১৩৪তম স্থানে রয়েছে। এছাড়া ভারত ৭১, শ্রীলঙ্কা ৭৩ ও পাকিস্তান ১২৯তম অবস্থানে।
