অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, বর্তমান সরকার জ্ঞানভিত্তিক সৃজনশীল বই প্রকাশনার বিকাশে সব ধরনের কার্যকরী উদ্যোগ নিয়েছে। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর পাবলিক লাইব্রেরি চত্বরে ‘মহানগর বই উত্সব-২০১৪’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আগামীতে একুশের বইমেলা যাতে অনেক বড় পরিসরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হতে পারে, সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বেশ আন্তরিক।
তিনি মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে আরো বেশি করে বইমেলা আয়োজন ও বইপড়ার এলাকা গড়ে তোলার জন্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহবান জানান।
তিনি মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে আরো বেশি করে বইমেলা আয়োজন ও বইপড়ার এলাকা গড়ে তোলার জন্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহবান জানান।
সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী এ কে খন্দকারের বই বাজেয়াপ্ত না করে আরেকটি বই প্রকাশ করার পরামর্শ দিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, বই বাজেয়াপ্ত করাই কেবল সমস্যার সমাধান হতে পারে না। আরেকটি বই প্রকাশ করে তার জবাব দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রণজিত্ কুমার বিশ্বাস, পাবলিক লাইব্রেরির মহাপরিচালক মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান ও বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ওসমান গণি।
এ বই উত্সব আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।
উত্সবে বাংলা একাডেমি ও শিশু একাডেমিসহ মোট ৪৫টি সৃজনশীল প্রকাশনী প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রণজিত্ কুমার বিশ্বাস, পাবলিক লাইব্রেরির মহাপরিচালক মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান ও বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ওসমান গণি।
এ বই উত্সব আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।
উত্সবে বাংলা একাডেমি ও শিশু একাডেমিসহ মোট ৪৫টি সৃজনশীল প্রকাশনী প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।
