মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর রওজা মুসলিম সম্প্রদায়ের পবিত্র স্থান হিসেবে পরিচিত। গুরুত্বের দিক থেকে মুসলমানদের কেবলা কাবা শরিফের পরই মসজিদে নববীর স্থান। এখানেই রয়েছে মহানবীর (সা.) রওজা বা সমাধি। প্রতিবছর হজের সময় লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলিম স্থানটি জিয়ারত করেন। সেটি ভেঙে তার দেহাবশেষ সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনার খবর প্রচার হচ্ছিল কয়েকদিন ধরে। খবরটি নাকচ করে দিয়েছে মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববী পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র আহমাদ মোহাম্মদ আল-মানসুরি। সৌদি গেজেট, আল-আরাবিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম বৃহস্পতিবার এ কথা জানায়।
আল-মানসুরি বলেছেন, “একজন শিক্ষাবিদের দেয়া ওই প্রস্তাব সৌদি আরব সরকারের নির্দেশনার প্রতিফলন নয়।” প্রস্তাবটি ওই শিক্ষাবিদের ‘একান্তই নিজস্ব’।
গত মঙ্গলবার বৃটিশ দৈনিক দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট ও ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে জানায়, মদিনায় মহানবীর (সা.) সমাধিক্ষেত্র ভেঙে তার দেহাবশেষ অজ্ঞাত স্থানে সরিয়ে নেয়ার একটি প্রস্তাব ‘মসজিদে নববী’ পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। দেশটির এক শিক্ষাবিদের সঙ্গে আলোচনার পর প্রস্তাবটি সরকারের কাছে পাঠানো হয় বলে ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।
সৌদি সরকারের এ পরিকল্পনার প্রতিবাদে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়। এ পরিকল্পনার ব্যাখ্যা চেয়ে সময় বেঁধে দিয়ে সুন্নী আদর্শভিত্তিক সংগঠন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত ঢাকায় সৌদি দূতাবাস ঘেরাওয়ের ঘোষণা দেয়। আগামী রবিবার তাদের ঘেরাও কর্মসূচীর কথা থাকলেও সৌদি আরব সরকারের পরবর্তী ঘোষণা শুনে তারা কর্মসূচী স্থগিত করেছে বলে জানা গেছে।
