আওয়ামী লীগ জনগণের কথা বলার পথ বন্ধ করে দিয়েছে: ফখরুল

আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ১৭:১২
 
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগের কারণেই দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান হচ্ছে। কারণ তারা জনগণের কথা বলার সকল পথ বন্ধ করে দিয়েছে। দেশের সকল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ধবংসের মুখে ঢেলে দিচ্ছে। আর এতে করে জঙ্গিবাদের উত্থান হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আওয়ামী লীগের সময় এর আগেও জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। গণতন্ত্রকে তার স্বাভাবিক পথে চলতে দেওয়া উচিত, কিন্তু আওয়ামী লীগ কখনও গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেনি।
আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিত্সাধীন দলের স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. আর এ গনিকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
ফখরুল বলেন, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সফরকে বিএনপি ইতিবাচক হিসেবেই নিয়েছে। পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে যতটুকু জানতে পেরেছি দুই দেশের বিনিয়োগ সৃষ্টিতে এ সফর অবদান রাখবে। তাই এ সফরকে ভিন্নভাবে দেখার অবকাশ বিএনপির নেই। যদি আলোচনায় বিনিয়োগের পরিবেশ সৃষ্টি ফলপ্রসূ হয় তাহলে নি:সন্দেহে এটা দুই দেশের জন্যই ভালো দিক।
সমপ্রতি বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্যে ইসলামী মূলবোধে বিশ্বাসী শরীক দলের কোনো টানাপোড়েনের প্রভাব পড়বে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রত্যেকের রাজনীতি করার অধিকার রয়েছে। সেক্ষেত্রে একজনের বক্তব্যে অন্যের প্রতিবন্ধতা সৃষ্টি হবে বলে মনে করি না।
মির্জা ফখরুল বলেন, ধর্মকে ভিত্তি করে রাজনীতি হতে পারে না, তারেক রহমানের এমন বক্তব্যকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। বিএনপি একটি উদার গণতান্ত্রিক দল। এ দলটি সব সময়ই গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। সবারই রাজনীতি করার গণতান্ত্রিক অধিকার আছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, রাজনীতিতে ধর্মের অবদান প্রসঙ্গে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একটি বক্তব্য উদ্ধৃত করে নেতাকর্মীদের বিষয়টি খেয়াল রাখতে বলেছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি থাকাকালে ১৯৮০ সালের সেপ্টেম্বরে এক কর্মশালায় জিয়াউর রহমান বলেছিলেন, ‘রাজনৈতিক আদর্শ ধর্মকে ভিত্তি করে হতে পারে না। অবদান থাকতে পারে, কিন্তু ধর্মকে কেন্দ্র করে কখনই রাজনীতি করা যায় না।
 
ইঅ/চৌফে/শ২৭২