ছিনতাইকারীদের গুলিতে খুন হওয়া একমাত্র ছেলে শরীফ হোসেন সায়মনের লাশ বারডেম হাসপাতালের হিমঘরে। আর গুলিবিদ্ধ বাবা ইশরাইল হোসেন পঙ্গু হাসপাতালে। আলোচিত এই ঘটনায় খিলগাঁও থানার ওসি প্রত্যাহার হলেও পুলিশ আজ শনিবার বিকাল পর্যন্ত একজন ছিনতাইকারীকেও ধরতে পারেনি। বাবা-ছেলের উপর গুলি চালানো ছিনতাইকারীরা লাপাত্তা।
মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসায়ী ইশরাইল হোসেন বর্তমানে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তার হাতে, পায়ে ও কোমড়ে চারটি গুলি করে দুর্বৃত্তরা। গতকাল প্রথম দফা অপারেশন করে তার শরীর থেকে একটি গুলি বের করে চিকিত্সকরা। গতকাল শনিবার দ্বিতীয় দফা অপারেশনে তার শরীর থেকে আরো তিনটি গুলি বের করা হলে বর্তমানে তিনি কিছুটা সুস্থ বলে দাবি করেন পরিবার।
হত্যা ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খিলগাঁও থানার এসআই লিয়াকত আলী জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে ইশরাইল হোসেন ও তার ছেলে শরীফ হোসেন সায়মনকে গুলি করে ৩৮ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়ার সময় এলাকায় লোডশেডিং ছিল। তবে ঘটনার সময় এলাকায় সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। বিদ্যুত্ চলে যাওয়ার কারনে বাসার লোকজন গলিতে হাঁটাহাঁটি করছিলেন। এলাকায় দুটি বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। সন্ত্রাসীরা এর মধ্যেই পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বাবা ছেলেকে গুলি করে টাকা ছিনিয়ে নেয়। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।
ইঅ/চৌফে/শ১৮৯
