আদিবাসী নারীর উন্নয়নে সবাইকেএগিয়ে আসার আহবান

আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ২১:৫৮
 
আদিবাসী নারীর উন্নয়ন ও তাদের অধিকার বাস্তবয়নে রাষ্ট্র ও সমাজকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন বক্তারা। তারা বলেছেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে পেছনে রেখে যেমন বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়; তেমনি আদিবাসী নারীদের সম-অধিকারকে বাদ দিয়ে মূলধারার নারী আন্দোলনও শক্তিশালী করা সম্ভব নয়।
শনিবার জাতীয় আদিবাসী নারী সম্মেলন ও কর্মশালার উদ্বোধনী পর্বে বক্তারা এসব কথা বলেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও অক্সফার্মের সহযোগিতায় বাংলাদেশ আদিবাসী নারী নেটওয়ার্ক ও কাপেং ফাউন্ডেশন যৌথভাবে রাজধানীর মোহাম্মদপুর সিবিসিবি সেন্টারে এই সম্মেলনের আয়োজন করে। ‘আদিবাসী নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্য ও সংহতি জোরদার করুন’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় সংগীত গেয়ে ও প্রদ্বীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের সূচনা হয়। 
বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং বলেন, আদিবাসী নারীরা পাঁচ ধরনের বৈষম্যে শিকার হন, আদিবাসী হিসেবে, নারী হিসেবে, পাহাড়ে বসবাসের কারণে এবং সে দরিদ্র হিসেবে বৈষম্যে শিকার হয়ে থাকেন। এ ছাড়া নিজস্ব এলাকা ছেড়ে কাজের জন্য যখন তারা শহরে আসে তখনও তারা বৈষম্যে শিকার হন। আদিবাসী নারীদের সত্যিকার অর্থে মানুষ হিসেবে মর্যাদা দিতে আমাদের সমাজের মানসিকতার পরিবর্তন করা প্রয়োজন বলে জানানতিনি।
সম্মেলনের বিভিন্ন অধিবেশনে যোগ দিয়ে বক্তব্য রাখেন, সাবেক তথ্য কমিশনার অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের এ্যাডভোকেট রাখী দাশ পুরকায়স্থ, কাপেং ফাউন্ডেশনরে চেয়ারপার্সন ও জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক শক্তিপদ ত্রিপুরা, জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদ ঢাকা অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক রাখী ম্রং ও কাপেং ফাউন্ডেশনের পরিচালক পল্লব চাকমা।