আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের বেতন দাবি করেছে তোবা গ্রুপ শ্রমিক সংগ্রাম কমিটি। রবিবার কারখানা চালুসহ ৭ দফা দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এ দাবি জানিয়েছেন সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক মোশরেফা মিশু। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত ওই সমাবেশে সমাবেশে তোবা গ্রুপ শ্রমিক সংগ্রাম কমিটিকে সমর্থন জানানো ১৫টি বাম প্রগতিশীল শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে মোশরেফা মিশু বলেন, কোন ধরনের আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে কারখানা বন্ধ করা হয়েছে। এসব কারখানার শ্রমিকরা তাদের কাজ হারিয়েছে। তাই অবিলম্বে কারখানা চালু করার দাবি জানান তিনি। আর কারখানা যদি চালু নাও হয় তাহলে শ্রমিকদের আগষ্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের বেতন দাবি করেন তিনি। একইসঙ্গে অন্যান্য পাওনাদি ও ঈদ বোনাস ও আসন্ন কোরবানির ঈদের বোনাস সময়মত পরিশোধের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, বেতন-ভাতা সময়মত পরিশোধ করা না হলে সংগ্রাম কমিটি কঠোর আন্দোলনে যাবে।
পরে প্রেসক্লাবের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে শ্রম মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের উদ্দেশ্যে যেতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। পরে জাতীয় প্রেসক্লাব ও সচিবালয়ের মাঝের রাস্তার মুখেই সমাবেশের মাধ্যমে বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষ হয়। সমাবেশে শ্রম মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন আন্দোলনকারী বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা। সমাবেশে তোবা গ্রুপের পাঁচটি কারখানা সরকার কর্তৃক অধিগ্রহণ করে চালু করা, শ্রম আইনের ২৬ ধারা অনুযায়ী শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ ও তোবা গ্রুপের মালিক দেলোয়ার হোসেনের জামিন বাতিলসহ ৭দফা দাবি জানানো হয়।
সমাবেশে মোশরেফা মিশু বলেন, এদেশে কি শ্রম মন্ত্রী আছে। আমরা দেখছি শ্রমিকদের সব কিছু পরিচালনা করছে নৌ পরিবহণ মন্ত্রী। আমরা নৌ পরিবহণ মন্ত্রীর কাছে কেন যাবো। তিনি শ্রম মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন। প্রয়োজনে বর্তমান নৌপরিবহনমন্ত্রীকে শ্রমমন্ত্রীর পদ দেয়া হোক বলেও প্রস্তাব করেন তিনি।
গার্মেন্টস শ্রমিক-কর্মচারি ফেডারেশনের সভাপতি জহিরুল ইসলাম বলেন,এবার সময়মত বেতন-ভাতা পরিশোধ করা না হলে শ্রমিকরা আর অনশন করবে না। গলায় গামছা দিয়ে মন্ত্রনালয় থেকে টেনে নামানো হবে।
