নিরক্ষরমুক্ত দেশ গড়তে নেয়া কর্মসূচিকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে : রাষ্ট্রপতি

আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ২১:২২
 
নিরক্ষরমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সরবারের গৃহীত সকল কর্মসূচিকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। আধুনিক, বিজ্ঞানমনস্ক ও প্রযুক্তি নির্ভর একটি জাতি বিনির্মাণে শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে তিনি বলেন, এজন্যই বর্তমার সরকার শিক্ষার প্রসারসহ নিরক্ষরমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এসব কর্মসূচিকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করে লক্ষ্যে পৌঁছাতে সকলের নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।
আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে রিববার এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। 
রাষ্ট্রপতি বলেন,নিরক্ষরমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার পাশাপাশি ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয় এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। দলমতনির্বিশেষে সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় যথাসময়ে এ লক্ষ্য অর্জিত হবে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদা ও কর্মসূচির মাধ্যমে আগামীকাল আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত হচ্ছে জেনে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এ উপলক্ষে তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ দেশের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত সকল শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবককে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
আবদুল হামিদ বলেন,দেশের সার্বিক উন্নয়নে সাক্ষরতার বিকল্প নেই। সাক্ষরতা মানুষকে আলোকিত করে।
জীবনঘনিষ্ঠ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা যায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ সত্যকে গভীরভাবে উপলব্ধি করেই বর্তমান সরকার বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ, উপবৃত্তি প্রদান, স্কুল ফিডিং কার্যক্রম, ২৬ হাজারেরও বেশি রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ, শিক্ষক নিয়োগ, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ফলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গমনোপযোগী শতভাগ শিশুকে বিদ্যালয়ে ভর্তি করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি বলেন ’সরকার ২০১৫ সালের মধ্যে দেশে সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে যে উদ্যোগ নিয়েছে তা যথাসময়ে বাস্তবায়িত হবে বলে আমার বিশ্বাস।’
টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন দক্ষ মানবসম্পদ। এ প্রেক্ষাপটে দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য ‘টেকসই উন্নয়নের মূলকথা সাক্ষরতা ও দক্ষতা’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলেও তিনি মনে করেন। 
রাষ্ট্রপতি আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০১৪ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন। বাসস