নাটোরের বড়াইগ্রামের মাদরাসা ছাত্র জিয়াউর রহমানকে (২৪) অপহরণের চারদিন পর আজ বুধবার সকালে জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার চাঁচকৈড় এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। জিয়া বড়াইগ্রামের তিরাইল গ্রামের জসির মহলদারের ছেলে এবং নাটোর জমহুরিয়া মাদরাসার কামিল শ্রেণীর ছাত্র। এ ব্যাপারে গত সোমবার থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
বড়াইগ্রাম থানার এসআই সুজন জানান, ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে দুর্বৃত্তরা জিয়াকে অপহরণ করে। আজ বুধবার ভোরে চাঁচকৈড় মধ্যমপাড়া এলাকার মৃত আমজাদ হোসেনের ভাড়া বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। বাড়িটিতে একই এলাকার মৃত আব্দুল খালেকের স্ত্রী জোবেদা বেগম ও ছেলে আব্দুল জব্বার ভাড়া থাকতেন। এ ঘটনার পরপরই তারা পালিয়ে যায়।
উদ্ধারকৃত জিয়া জানান, শনিবার কাছিকাটা বাসস্ট্যান্ডে কয়েকজন অপরিচিত লোকের সাথে পরিচয়ের এক পর্যায়ে তারা তাকে একটি জুস খেতে দেন। তারপর থেকে জিয়া অচেতন ছিলেন। পরে তিনি নিজেকে একটি বদ্ধঘরে আটক অবস্থায় দেখতে পান। অপহরণকারীরা তাকে মারপিট করতো এবং পালাক্রমে পাহারা দিতো। বুধবার ভোরে টয়লেটে যাবার জন্য তাকে ঘর থেকে বের করলে বাড়ির প্রাচীর টপকে জিয়া নিজেকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। এ সময় অপহরণকারীরা পিছু ধাওয়া করলে তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে। দোষীদের আটকের চেষ্টা চলছে।
