দুর্নীতির দুই মামলায় বিচারক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা রিট খারিজ করে হাইকোর্টের দেয়া আদেশের বিরুদ্ধে দুইটি আপিল আবেদনের আদেশ ১৪ সেপ্টেম্বর দেয়া হবে।
প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চে পঞ্চম দিনের শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার এ দিন ধার্য করেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন এ জে মোহাম্মদ আলী। এর আগে গত ৪ সেপ্টেম্বর শুনানি শুরু করেন খন্দকার মাহবুব হোসেন ও অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।
দুদকের পক্ষে খুরশিদ আলম খান আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
পরে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, রাষ্ট্র আইনের বিধি বিধান মেনে বিচারক নিয়োগ দিয়েছেন। আর সঠিক নিয়ম মেনে বিচার কাজ চলছে।
ঢাকার বিশেষ জজ-৩ বাসুদেব রায় গত ১৯ মার্চ বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপস্থিতিতে ‘জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট’ ও ‘জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট’ দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠন করেন।
এরপর ওই বিচারকের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে আসেন খালেদা। সেখানে তার আবেদন খারিজ হলে এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে দুই মামলার জন্য একই অভিযোগে এ দুটি আবেদন করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
সোয়া পাঁচ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা এ দুই মামলা বাতিলের জন্যও হাই কোর্টে এসেছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন। কিন্তু তার ওই আবেদনও খারিজ হয়। এ বিষয়ে তার আপিল আবেদন শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
২০১১ সালের ৮ অগাস্ট জিয়া ‘দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা’ দায়ের করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ। এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দেয়া হয় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি।
