মোমিন হত্যা: দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামিদের গ্রেফতার দাবি

আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ২০:১৬
   
ঢাকা কমার্স কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র কামরুল ইসলাম মোমিন হত্যাকাণ্ডের ৯ বছর হয়ে গেলেও এখনো অনেক খুনি ধরাছোয়ার বাইরে। ২০১১ সালের ২০ জুলাই ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক রেজাউল ইসলাম চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিন জনের ফাঁসি ও ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন। এর মধ্যে ফাঁসির দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত এ কে এম রফিকুল ইসলাম ওরফে ওসি রফিক এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত দুই জন কারাগারে আছেন। মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত দুই জন ও যাবজ্জীবন সাজার আদেশপ্রাপ্ত ৪ জন এখনো পলাতক।
মোমিন স্মৃতি সংসদের সভাপতি কবির মাসুম ও সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ বলেন, ২০০৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর মতিঝিল থানার তত্কালীন ওসি রফিকের ভাড়া করা সন্ত্রাসীদের গুলিতে মোমিনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। তারা বলেন, এখনো অনেক আসামি গ্রেফতার হয়নি। তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে রায় কার্যকরের দাবি করেন তারা।
জানা যায়, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে কলেজে যাওয়ার পথে মোমিনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মোমিনের বাবা আবদুর রাজ্জাক বাদি হয়ে ওসি রফিকসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ২০১১ সালে ওই মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। তাতে ওসি রফিক, শাখাওয়াত হোসেন জুয়েল ও তারেক ওরফে জিয়ার মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয় আদালত। আর শীর্ষ সন্ত্রাসী হাবিবুর রহমান তাজ, ছোট উঁচা বাবু, হাসিবুল হক জনি, মনির হাওলাদার, মো. জাফর ও শরিফ উদ্দিনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড হয়। এর মধ্যে ওসি রফিক, হাবিবুর রহমান তাজ ও ছোঁট উচা বাবু বর্তমানে কারাগারে আছে। অন্যরা ঘটনার পর থেকে পলাতক।
 
ইঅ/চৌফে/শ২২৫