লালু খুন: ওলামা লীগের সভাপতি আটক

আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ২২:০৩
 
 
 
 
রাজধানীর কদমতলী থানার শ্যামপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম লালুর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নূরুন্নবী ওরফে হাতকাটা নবী নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আটক করা হয়। সে হাতকাটা কদমতলী থানার ওলামা লীগের সভাপতি। কদমতলী থানার ওসি আব্দুস সালাম জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন হিসাবে হাতকাটা নবীকে আটক করা হয়েছে। থানায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের হলে নবীকে গ্রেফতার দেখানো হবে।
গত বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে শ্যামপুর ব্রীজ সংলগ্ন ১নং আফসার করিম সড়কের আল মক্কা এন্টারপ্রাইজ দোকানে একদল সন্ত্রাসী গুলি করে লালুকে হত্যা করে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত থানায় কোন মামলা হয়নি। কদমতলী থানার ওসি জানিয়েছেন, রাতেই নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের হবে।  চালায়।
পুলিশ ও লালুর  পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ওলামা লীগ কদমতলী থানার সভাপতি নূরুন্নবী ওরফে হাত কাটা নবীর সাথে লালুর এলাকার আধিপত্য বিস্তার ও পরিবহন চাদাঁবাজি নিয়ে পূর্বশত্রুতা ছিলো। এই দ্বন্দ্বের জের হিসাবেও তাকে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারনা করছে পুলিশ। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের ৫৩ নং ওয়ার্ডের সভাপতি (সাবেক ৮৯ নং ) হাজী নূর হোসেন, একই ওয়ার্ডের যুবলীগের সভাপতি মানিক প্রধানের দিকেও সন্দেহের তীর রয়েছে পুলিশের।
কদমতলী থানা ওলামা লীগের সভাপতি নবীকে আটকের প্রসঙ্গে থানার ওসি জানান, নবীসহ আরো কয়েক জন পুলিশের নজরদারিতে আছে। মামলায় ঐসব সন্দেহভাজনদের কারো নাম উল্লেখ করলে তাত্ক্ষণিক তাকে গ্রেফতার করা হবে।
এ দিকে, বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটার দিকে শ্যামপুরের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম কদমতলীতে লালুর লাশ দেখতে বাসায় যান। এসময় তিনি নিহতের পরিবারের সদস্যদের সান্তনা দেন। নিহত লালুর বাবা মোক্তার হোসেন বলেন, লাশ দাফনের পর মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। পারিবারিক সূূত্র জানায়, লালু চার ভাই আর দুই বোনের মধ্যে সবার বড় ছিলেন। অমি (৮) ও অনি (৩) নামে তার দুইটি ছেলে আছে। তার স্ত্রী অন্তসত্ত্বা।
 
ইঅ/চৌফে/শ২৭৭