যেকোনো সময় আন্দোলনের বিস্ফোরণ ঘটবে: তরিকুল

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ২১:৪২
 
 
 
 
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম বলেছেন, যেকোনো সময় আন্দোলনের বিস্ফোরণ ঘটবে। এটা দিনক্ষণ ঠিক করে আসবে না। তাই আমাদের আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
শুক্রবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে ‘তারেক রহমানের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ ও উন্নয়ণ ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন এ সভার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার।
তরিকুল বলেন, দেশের ৭০ থেকে ৮০ ভাগ পত্রিকা আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও তারা গণমাধ্যমকে ভয় পায়। এ কারণে সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সরকার ‘আসো’ ‘আসো’ বলে ডেকে নিয়ে সোনার খাঁচায় বন্দি করে ফেলেছে।
তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘আজ বিচার বিভাগের মাথার ওপর ফাঁসির আসামির মত যমটুপি পরিয়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার। সংবাদ মাধ্যমকে সোনার খাঁচায় বন্দি করা হয়েছে। এভাবে সরকার দেশকে কারাগারে পরিণত করে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিতে চায়। তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষ বুক ভরে একটু নিঃশ্বাসও নিতে পারছে না। তারা এ দুঃসহ অবস্থা থেকে মুক্তি চায়।’

তরিকুল ইসলাম বলেন, তারেক রহমান দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি লন্ডনে পড়াশোনা করছেন। তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছেন। আমাদের সকলকে মেধার চর্চা করতে হবে। আজ আমাদের অঙ্গীকার হবে, আমরা সংশোধন হব। ভবিষ্যতে জনগণ আমাদের কাছ থেকে কোনো অন্যায় পাবে না। তিনি বলেন, জীবনে অনেক আন্দোলন দেখিছি, অনেক আন্দোলন করেছিও। কিন্তু এবারের আন্দোলনের মত এমন আন্দোলন আর দেখিনি। আওয়ামী লীগ তারেক রহমানের ছায়ার সঙ্গে যুদ্ধ করছে। দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তারেক রহমানের ইমেজকে ধ্বংস করার জন্য হেন কোনো কাজ নেই যা তারা করছে না।

 

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অতীতে আওয়ামী লীগ কিছু করলে আমরা বিএনপি শুধু রি-অ্যাকশন করতাম। আমরা এমন কিছু করতে পারিনি যে আওয়ামী লীগ রিঅ্যাক্ট করবে। সেই ধারা তারেক রহমান ভেঙ্গে ফেলেছেন। এখন আওয়ামী লীগই রিঅ্যাক্ট করছে। যা তাদের ক্ষতি করছে। তিনি বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের পড়তে হবে। একই সঙ্গে ফেসবুক, টুইটার ব্যবহার করতে হবে।