শুক্রবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে মুঠোফোন, ডিজিটাল ঘড়ি ও তারবিহীন মাইক্রো (খুদে) হেডফোনসহ ১৫ পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় তারা এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করে নকল করতে গিয়ে কর্তব্যরত পরিদর্শকের হাতে ধরা পড়েছেন। এছাড়া জগনাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও ‘এ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে নকল করার অভিযোগে তিন পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে।
এর আগে ৫ সেপ্টেম্বর ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ‘গ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় মুঠোফোনের মাধ্যমে নকল করতে গিয়ে ধরা পড়েন সাত পরীক্ষার্থী।
গতকাল আটক হওয়া পরীক্ষার্থীরা হলেন: নীলক্ষেত উচ্চবিদ্যালয় থেকে বদিউজ্জামান জুয়েল, বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগ কেন্দ্র থেকে সাদমান আহমেদ, অগ্রণী স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র থেকে জায়ীদ হাসান, গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ থেকে প্রিয়ম সরকার, নটর ডেম কলেজ থেকে তরিকুল ইসলাম, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে সৈয়দ আলমগীর কবির, মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি বয়েজ স্কুল ও কলেজ থেকে রাইসুল ইসলাম, মোহাম্মদপুর প্রিপারেটি গার্লস স্কুল ও কলেজ থেকে ফারহা ফারজানা, কে এম রেজওয়ানুল আহসান, ইসরাতুল কাওসার, ইডেন কলেজ কেন্দ্র থেকে সাব্বির হোসেন, আজিমপুর গার্লস স্কুল ও কলেজ থেকে হুজ্জাতুল ইসলাম, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ রাইফেল্স পাবলিক কলেজ থেকে রাফিয়া হাসান এবং সেন্ট্রাল রোড আইডিয়াল কলেজ থেকে রুহুল অমিন ও ফুয়াদ হাসান।
আটক দুজনের তথ্যের ভিত্তিতে তাঁদের মুঠোফোন সরবরাহ করার অভিযোগে সেন্ট্রাল রোড আইডিয়াল কলেজের কর্মচারী মো. আবদুর রহিমকে কলেজ থেকে আটক করে পুলিশ। প্রক্টর অফিস সূত্র জানায়, ছয় হাজার ৮০০ টাকার বিনিময়ে রহিম দুই শিক্ষার্থীকে মুঠোফোন দিয়েছিলেন।
জালিয়াত চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জনতা ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইমদাদুল হক খোকনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক পরীক্ষার্থী বদিউজ্জামান জুয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে দেওয়া লিখিত জবানবন্দিতে খোকনের নাম উল্লেখ করেন। প্রক্টর কার্যালয়ে জুয়েলকে ছাড়াতে গিয়ে শিক্ষকদের জেরার মুখে জালিয়াতিতে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন তিনি। জুয়েল জালিয়াতি করতে গিয়ে একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করেছিলেন। এটিএম কার্ডের মতো দেখতে ওই ডিভাইসের সঙ্গে একটি খুদে হেডফোন ব্যবহার করে তিনি নকল করছিলেন। আর সাদমান আহমেদ ঘড়িতে মুঠোফোনের যন্ত্র বসিয়ে নকল করার চেষ্টা করেছিলেন। বাকিরা মুঠোফোনে খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে নকল করতে গিয়ে ধরা পড়েন।
জড়িত ছাত্রলীগ নেতা?: জিজ্ঞাসাবাদে ইমদাদুল হক নিজেকে টিচার্স ট্রেনিং কলেজের ছাত্রলীগ সভাপতি আল-আমিন সবুজের বন্ধু বলে দাবি করেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই ছাত্রের বাড়ি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায়। আটক শিক্ষার্থী জুয়েলও এ কাজে সবুজের যোগসূত্রতার কথা বিশ্ববিদ্যালয়কে জানিয়েছেন। এর আগে ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সময় আটক এক শিক্ষার্থীও সবুজের সংশ্লিষ্টতার কথা উল্লেখ করেন বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এম আমজাদ আলী।
আটককৃতদের শাহবাগ, লালবাগ, মোহাম্মদপুর, কলাবাগান, মতিঝিল এবং হাজারীবাগ থানায় হস্তান্তর করার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
জগন্নাথে ভর্তি জালিয়াতি করতে গিয়ে আটক তিন: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক জানান, গতকাল বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে ইমরান হোসেন ও জাহিদ হাসান এবং মাসুদ রানা নামে তিন পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর নূর মোহাম্মাদ বলেন, পরীক্ষা চলাকালে মুঠোফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমে উত্তর সংগ্রহের সময় তাঁদের আটক করা হয়। তাঁদের পরীক্ষা বাতিল করে সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
এর আগে ৫ সেপ্টেম্বর ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ‘গ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় মুঠোফোনের মাধ্যমে নকল করতে গিয়ে ধরা পড়েন সাত পরীক্ষার্থী।
গতকাল আটক হওয়া পরীক্ষার্থীরা হলেন: নীলক্ষেত উচ্চবিদ্যালয় থেকে বদিউজ্জামান জুয়েল, বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগ কেন্দ্র থেকে সাদমান আহমেদ, অগ্রণী স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র থেকে জায়ীদ হাসান, গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ থেকে প্রিয়ম সরকার, নটর ডেম কলেজ থেকে তরিকুল ইসলাম, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে সৈয়দ আলমগীর কবির, মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি বয়েজ স্কুল ও কলেজ থেকে রাইসুল ইসলাম, মোহাম্মদপুর প্রিপারেটি গার্লস স্কুল ও কলেজ থেকে ফারহা ফারজানা, কে এম রেজওয়ানুল আহসান, ইসরাতুল কাওসার, ইডেন কলেজ কেন্দ্র থেকে সাব্বির হোসেন, আজিমপুর গার্লস স্কুল ও কলেজ থেকে হুজ্জাতুল ইসলাম, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ রাইফেল্স পাবলিক কলেজ থেকে রাফিয়া হাসান এবং সেন্ট্রাল রোড আইডিয়াল কলেজ থেকে রুহুল অমিন ও ফুয়াদ হাসান।
আটক দুজনের তথ্যের ভিত্তিতে তাঁদের মুঠোফোন সরবরাহ করার অভিযোগে সেন্ট্রাল রোড আইডিয়াল কলেজের কর্মচারী মো. আবদুর রহিমকে কলেজ থেকে আটক করে পুলিশ। প্রক্টর অফিস সূত্র জানায়, ছয় হাজার ৮০০ টাকার বিনিময়ে রহিম দুই শিক্ষার্থীকে মুঠোফোন দিয়েছিলেন।
জালিয়াত চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জনতা ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইমদাদুল হক খোকনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক পরীক্ষার্থী বদিউজ্জামান জুয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে দেওয়া লিখিত জবানবন্দিতে খোকনের নাম উল্লেখ করেন। প্রক্টর কার্যালয়ে জুয়েলকে ছাড়াতে গিয়ে শিক্ষকদের জেরার মুখে জালিয়াতিতে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন তিনি। জুয়েল জালিয়াতি করতে গিয়ে একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করেছিলেন। এটিএম কার্ডের মতো দেখতে ওই ডিভাইসের সঙ্গে একটি খুদে হেডফোন ব্যবহার করে তিনি নকল করছিলেন। আর সাদমান আহমেদ ঘড়িতে মুঠোফোনের যন্ত্র বসিয়ে নকল করার চেষ্টা করেছিলেন। বাকিরা মুঠোফোনে খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে নকল করতে গিয়ে ধরা পড়েন।
জড়িত ছাত্রলীগ নেতা?: জিজ্ঞাসাবাদে ইমদাদুল হক নিজেকে টিচার্স ট্রেনিং কলেজের ছাত্রলীগ সভাপতি আল-আমিন সবুজের বন্ধু বলে দাবি করেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই ছাত্রের বাড়ি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায়। আটক শিক্ষার্থী জুয়েলও এ কাজে সবুজের যোগসূত্রতার কথা বিশ্ববিদ্যালয়কে জানিয়েছেন। এর আগে ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সময় আটক এক শিক্ষার্থীও সবুজের সংশ্লিষ্টতার কথা উল্লেখ করেন বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর এম আমজাদ আলী।
আটককৃতদের শাহবাগ, লালবাগ, মোহাম্মদপুর, কলাবাগান, মতিঝিল এবং হাজারীবাগ থানায় হস্তান্তর করার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
জগন্নাথে ভর্তি জালিয়াতি করতে গিয়ে আটক তিন: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক জানান, গতকাল বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে ইমরান হোসেন ও জাহিদ হাসান এবং মাসুদ রানা নামে তিন পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর নূর মোহাম্মাদ বলেন, পরীক্ষা চলাকালে মুঠোফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমে উত্তর সংগ্রহের সময় তাঁদের আটক করা হয়। তাঁদের পরীক্ষা বাতিল করে সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
