ঝিনাইদহে ক্লিনিকে দম্পতির রহস্যজনক মৃত্যু

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ১৮:৪৭
 
 
 
 
ঝিনাইদহ শহরের ডক্টরস্ ক্লিনিক থেকে এক দম্পতির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকাল ৩টার দিকে তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা ক্লিনিকটিতে সিমেন (স্পাম) পরীক্ষা করতে এসেছিল। মৃত দম্পতি হচ্ছে, মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার বগুড়া গ্রামের ঝন্টু ফকিরের ছেলে জুয়েল হোসেন (৩০) ও তার স্ত্রী নাসরিন খাতুন (২৬)।
ডক্টরস্ ক্লিনিকের মালিক ডাক্তার হামিদুন্নেছা পাখি জানান, শনিবার দুপুর ১২টার সময় মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলের বগুড়া গ্রামের জুয়েল হোসেন ও তার স্ত্রী নাসরিন খাতুন ক্লিনিকটিতে আসে। তারা জানায়, তাদের গত ৫/৬ বছর আগে বিয়ে হলেও কোন সন্তানাদি হয়নি।  তাদের সিমেন (স্পাম) পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়। তখন তারা ডক্টরস্ ক্লিনিকের প্যাথলজিতে সিমেন পরীক্ষা করাতে চাইলে সিমেন সংগ্রহে ইন্টারকোর্সের জন্য ক্লিনিকের একটি কক্ষে কৌটাসহ পাঠানো হয। প্রায় ২ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও তারা দরজা খুলে না। ক্লিনিকের ওয়ার্ড বয় কলিমুদ্দিন দরজা ধাক্কা দিয়ে কোন সাড়া শব্দ পায় না।  দরজার সিটকিনি ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে উভয়ের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিকাল ৩টার দিকে ক্লিনিকের ওই কক্ষ থেকে বেডের উপরে স্ত্রী নাসরিন ও মেঝেতে স্বামী জুয়েল হোসেনের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে।
এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন জানান, বিষয়টি রহস্যজনক। মৃতদেহ দু’টি ময়না তদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো  হয়েছে। ময়না তদন্ত পর মৃত্যুর মূল কারণ জানা যাবে।