রাজধানীর কাওরান বাজারে দুই ট্রেনের মাঝে পড়ে ৪ জন নিহত হওয়ার পর রেল লাইনের পাশে অবৈধ বাজার ও দোকানপাট উচ্ছেদ অভিযান দ্বিতীয় দিনের মতো অব্যাহত রেখেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
শনিবার খিলগাঁও ও মালিবাগ এলাকায় অভিযান চলানো হয়। এ সময় প্রায় দুই হাজার দোকান ভেঙে দেয়া হয়। তবে এই এলাকার রেললাইনের দুই পাশে কোন বস্তি ঘর উচ্ছেদ করা হয়নি।
ঢাকা জিআরপি থানার ওসি আব্দুল মজিদ বলেন, মানবিক কারণে তাদেরকে ৩ দিনের সময় দেয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে তারা তাদের ঘর ও আসবাবপত্র সরে নিয়ে যেতে হবে। তা না হলে তৃতীয় দিনের পর রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ঐ বস্তি ঘরগুলো উচ্ছেদ করে দিবে।
বুলডোজার দিয়ে দোকানপাট ভাঙ্গার সময়ে সমগ্র এলাকায় এক অমানবিক অবস্থার সৃষ্টি হয়। ক্ষতিগ্রস্থ দোকানীরা পরিবারসহ কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এলাকায় হাজার হাজার জনতা এ সময়ে ভীড় জমায়।
রেলওয়ের ঢাকা বিভাগীয় ভূমি সম্পত্তি বিভাগের কর্মকর্তা নুরনবী কবির জানান, এখন থেকে নিয়মিত অভিযান চলবে। রেললাইনের ওপর আর যেন কোনো ধরনের বাজার ও দোকানপাট বসতে না পারে, সে জন্য কঠোর নজরদারি রাখা হবে।
শনিবার সকাল ৯ টায় খিলগাঁও ফ্লাইওভারের নিচ থেকে রেললাইনের দুই পাশে গড়ে দোকানপাট ও বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এসময় অনেক দোকানের মালামাল সরিয়ে না নেয়ায় রেলওয়ের বুলডোজারের চাপায় নষ্ট হয়ে যায়। মালিবাগ লেভেল ক্রসিং পর্যন্ত এ অভিযান চালিয়ে দুপুর ২ টার দিকে শেষ হয়ে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মালিবাগ লেভেল ক্রসিং থেকে এফডিসি লেভেল ক্রসিং পর্যন্ত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চলবে।
