ঝিনাইদহ শহরের ডক্টরস ক্লিনিক নামে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে স্বামী স্ত্রীর মৃত্যুর কোন কিনারা হয়নি। শনিবার বিকালে তাদের পোষ্ট মর্টেম করা হয়। জানা যায়, তাদের মৃত্যুর কারণ উদঘাটন করতে পারেনি ময়না তদন্তকারি ডাক্তার। ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডাক্তার রাশেদা সুলতানা জানান, মৃতদেহ দুটিতে হত্যা বা আত্নহত্যার কোন আলামত পাওয়া যায়নি। ভিসেরা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার জন্য ঢাকা মহাখালীর পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে। সেখান থেকে রিপোর্ট এলে মৃতুর কারণ জানা যাবে।
শনিবার মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার বগুড়া গ্রামের জুয়েল হোসেন ( ৩০ ) ও তার স্ত্রী নাসরিণ খাতুন চিকিত্সার জন্য ঝিনাইদহ শহরের প্রাইভেট হাসপাতাল ডক্টরস ক্লিনিকে আসেন। তাদের সন্তান হতো না। ক্লিনিকের মালিক ডাক্তার হামিদুন্নেছা পাখি সিমেন ( স্পাম ) পরীক্ষার পরামর্শ দেন। তারা রাজি হলে সিমেন সংগ্রহের জন্য স্বামী স্ত্রীকে একটি রুমের ভিতর দেয়া হয়। প্রায় দু ঘন্টা পর ওই রুমের ভিতর স্বামী স্ত্রীর মৃতদেহ পাওয়া যায়। পুলিশ এ মৃত্যুকে রহস্যজনক বলছে।
এ ঘটনার পর শনিবার রাতে পুলিশ ক্লিনিকের নার্স রোখসানা পারভিন, ম্যানেজার কাজী রাশেদুল নেছা শিউলী, টেকনোলজিস্ট স্বপন আলি ও এ্যাসিসট্যান্ট ল্যাব টেকনিশিয়ান কলিমুদ্দিনকে আটক করে। তাদের দফায় দাফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশ তাদের কাছ থেকে কোন তথ্য পায়নি বলে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি শাহাবুদ্দিন আজাদ জানান।
