রওশনের বৈঠক কবুল করলেন এরশাদ

আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ১৭:২৬
 
অবশেষে বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদের সভাপতিত্বে রবিবার অনুষ্ঠিত সংসদীয় দলের সভাকে কবুল করে নিলেন জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ। ওই বৈঠককে পূর্ণ স্বীকৃতি দিয়ে এরশাদ বলেছেন, তার পার্টির মধ্যে কোনো বিভক্তি নেই। রবিবার তিনি সংসদ ভবনে অবস্থিত নিজ কার্যালয়ে আলাদাভাবে কোনো বৈঠকও করেননি। ওইদিন বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদীয় দলের বৈঠক শেষে কয়েকজন সংসদ সদস্য তার অফিস কক্ষে এসে দেখা করেছেন। এছাড়া মন্ত্রিসভায় জাপার থাকা না থাকার বিষয়ে সংসদীয় দলের বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, কারণ এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়ার একমাত্র এখতিয়ার দলের প্রেসিডিয়ামের। সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
জাপা চেয়ারম্যান বিবৃতিতে বলেন, পার্টির চেয়ারম্যান আলাদাভাবে সভা করেছেন বলে বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদ অসত্য ও বিভ্রান্তিকর। আমি জাপার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। দলকে ক্ষমতায় নিয়ে যাবার জন্য আমি অক্লান্ত পরিশ্রম করছি। আমার দলের মধ্যে কোনো বিভক্তি সৃষ্টি করতে পারিনা। পার্টির প্রত্যেক নেতাকর্মী আমার নেতৃত্বে এবং নির্দেশে কাজ করছেন।
তিনি বলেন, পার্টির গঠনতান্ত্রিক ক্ষমতাবলে আমি দুই জন প্রেসিডিয়াম সদস্যকে অব্যাহতি দিয়েছি। এটা করার এখতিয়ার আমার আছে। এতে দলে বিভক্তির অবকাশ নেই। জাপা চেয়ারম্যান দাবি করেন, রবিবার কিছুটা অসুস্থবোধ করায় আমি প্রথমে চেকআপের জন্য সিএমএইচ-এ গিয়েছিলাম। সেখান থেকে ফিরে সংসদে অধিবেশনে যোগ দেয়ার জন্য বিকেল ৫টার দিকে সংসদে গিয়েছি। তখন পার্লামেন্টারি পার্টির বৈঠক শেষ হয়েছে। বৈঠক শেষে কয়েকজন সংসদ সদস্য আমার অফিস কক্ষে এসে আমার সাথে দেখা করেছেন, সেটা কোনো সভা ছিল না।
মন্ত্রীসভায় জাপার থাকা না থাকার বিষয়ে এরশাদ বিবৃতিতে বলেন, এ ব্যাপারে দলীয় ফোরামে এখনও কোনো আলোচনা হয়নি। এব্যাপারে আমি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলাম, আমরা মন্ত্রিসভায় থাকবো কী থাকবো না এমন কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হলে প্রেসিডিয়ামে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এব্যাপারেও কিছু মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশিত বা প্রচারিত হয়েছে। আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই যে, যদি জাপার মন্ত্রিসভায় থাকা না থাকা নিয়ে কোনো ধরনের প্রশ্ন আসে, সে ব্যাপারে একমাত্র প্রেসিডিয়ামই সিদ্ধান্ত নেবে। সুতরাং এ নিয়ে আর বিভ্রান্তির অবকাশ নেই।