জাল পাসপোর্ট, ভিসা ও নথিপত্র চিহ্নিতকরণ বিষয়ে ১৪ দিনব্যাপী বাংলাদেশ পুলিশকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চ এবং ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি), ঢাকা মেট্টোপলিটন পুলিশ এবং চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তারা এ প্রশিক্ষণে অংশ নেন। সোমবার মার্কিন দূতাবাস থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সরকার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সন্ত্রাস বিরোধী সহযোগিতা বা এন্টি টেরোরিজম অ্যাসিস্টেন্স (এটিএ) কর্মসূচি এবং যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের আঞ্চলিক নিরাপত্তা দফতরের উদ্যোগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনৈতিক নিরাপত্তা ব্যুরোর আয়োজনে পুলিশ স্টাফ কলেজে প্রশিক্ষণ দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশিক্ষকরা।
পুলিশ স্টাফ কলেজের ভারপ্রাপ্ত রেক্টর মো. মতিউর রহমান শেখ, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের আঞ্চলিক নিরাপত্তা কর্মকর্তা ড্যান উইলহেলম এবং বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কমকর্তারা সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক নিরাপত্তা কর্মকর্তা ড্যান উইলহেলম বলেন, কোনো একটি দেশের পক্ষে একা ভ্রমণ ও এর জাল নথি সনাক্ত করা সম্ভব নয়। কারণ পাসপোর্ট আন্তর্জাতিকভাবে ভ্রমণের একটি স্বীকৃত আইনি বিষয়। সন্ত্রাসীদের দ্বারা এর বেআইনি ব্যবহার একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা। যুক্তরাষ্ট্রে ১১ সেপ্টেম্বরে সন্ত্রাসী হামলার ১৩তম বার্ষিকীকে স্মরণ করে তিনি বলেন, সন্ত্রাসীরা জাল এবং চুরি করা পাসপোর্ট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর সন্ত্রাসী হামলার জাতীয় কমিশন (যা ‘সেপ্টেম্বর ১১ কমিশন’ হিসেবে পরিচিত) এর বক্তব্য উদ্ধৃতি করে বলেন যে ‘সন্ত্রাসীদের জন্য ভ্রমণ নথি অস্ত্রের মতোই গুরুত্বপূর্ণ’। জাল পাসপোর্ট ও ভিসা সনাক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কাজ করায় বাংলাদেশ পুলিশকে ধন্যবাদ জানান উইলহেলম।
