জজ মিয়ার মাকে বাড়িও দিতে চেয়েছিলেন সিআইডির কর্মকতারা

আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ২০:১৮



২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় আলোচিত জজ মিয়ার ‘মিথ্যা সাক্ষ্য’ দেয়ার পুরস্কার হিসেবে তার মা জোবেদা খাতুনকে প্রতি মাসে দুই হাজার টাকা করে দেয়া ছাড়াও একটি বাড়ি করে দিতে চেয়েছিলেন সিআইডি’র তৎকালীন কর্মকর্তারা। মামলার দুই আসামি সে সময়কার তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন ও আব্দুর রশিদ এ প্রস্তাব দেন বলে জানিয়েছেন জোবেদা খাতুন।
সোমবার আসামিপক্ষের আইনজীবীদের জেরার জবাবে তিনি আদালতে তিনি এসব কথা বলেন। জেরা শেষে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে স্থাপিত ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নুর উদ্দিন মঙ্গলবার পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করেন।
এদিকে বেলা ১১টা ৫ মিনিট থেকে মাঝে ১ ঘণ্টা বিরতি দিয়ে একটানা বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত জোবেদা খাতুনকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। সিআইডির সাবেক কর্মকর্তা রুহুল আমিন ও আব্দুর রশিদের পক্ষে জেরা করেন তাদের আইনজীবী আব্দুস সোবহান তরফদার। জেরায় আসামিদের আইনজীবী আব্দুস সোবহান তরফদার জজ মিয়ার মাকে বলেন, আপনি যে বলেছেন, সিআইডি আপনাকে মাসে মাসে দুই হাজার টাকা করে দিতো, সেকথা সত্য নয়। জবাবে জোবেদা খাতুন বলেন, শুধু দুই হাজার টাকা করে দিতো তাই নয়, সাবেক সিআইডি কর্মকর্তা রুহুল আমিন ও আব্দুর রশিদ আমাকে ৫ কাঠা জমির ওপর একটি বাড়ি করেও দিতে চেয়েছিলেন। জেরা কালে জজ মিয়া ও তার বোন খোরশেদা আক্তার আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে ২০০৫ সালে জজ মিয়াকে আটক করে বহুল আলোচিত ‘জজ মিয়া নাটক’ সাজানো হয়। ২০০৮ সালে তাকে আসামি থেকে বাদ দিয়ে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। পরে আদালত এ মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি দেন। ২০০৯ সালে মুক্তি পান জজ মিয়া।