জাপানে দীর্ঘদিন বসবাসের পর দেশে ফিরে আসা বাংলাদেশিদের উপর গবেষণার কাজ শুরু করেছে দেশটির রিক্কিয়ো বিশ্ববিদ্যালয় ও টোকিওর মানবাধিকার সংগঠন এশিয়ান পিপলস ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি (এপিএফএস)। দেশে ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বর্তমান জীবনধারা, জাপানে থাকাকালে তাদের সমস্যা ও ভবিষ্যত্ করণীয় নির্ধারণই হবে এই গবেষণার উদ্দেশ্য। গবেষণার ফলাফল জাপান সরকারের কাছে উত্থাপন করা হবে যাতে করে অভিবাসী আইন আরো সহজ করা হয়। এটা হলে ভবিষত্যে জাপানে বাংলাদেশের কর্মী পাঠানোর মতো সুখবরও আসতে পারে। সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে গবেষকরা এ কথা জানান।
‘বৈশ্বিক অভিবাসন, বহুজাতিক নেটওয়ার্ক’ শীর্ষক গবেষণা বিষয়ে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রিক্কিয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক তেতসুয়ো মিজুকামী ও এপিএফএসের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ইয়োশিনারি কাতসু। এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, এপিএফএসের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব মাসুদ করিম।
অধ্যাপক কাতসু বলেন, জাপানে বর্তমানে ব্যাপক শ্রমিক সংকট চলছে। মূলত ক্যাটারিং, নির্মাণ ও গৃহস্থলির কাজে বিদেশ থেকে প্রায় ১০ লাখ শ্রমিক নিতে চায় জাপান সরকার। সাধারণত পূর্ব এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে এই শ্রমিক নেয়া হয়। তবে আমরা চাই, অন্য আরো দেশ থেকে কর্মী নেয়া হোক। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকেও কর্মী নেয়া যেতে পারে। গবেষণা বিষয়ে তারা বলেন, এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো জোরদার করা যেতে পারে। গবেষক দল প্রথমে ইন্টারন্যাশনাল ওর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। পরবর্তীতে জাপানে থেকে আসা বাংলাদেশিদের সাক্ষাত্কার নিতে তারা মুন্সিগঞ্জে যাবেন।
