খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার উত্তর চন্দনীমহল গ্রামে গতকাল বুধবার ভোরে হালিমা বেগম (৬০) নামের এক বৃদ্ধাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। একই দিন সকালে ফরিদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাড়ি থেকে শাজাহান ব্যাপারী (৫৫) নামের এক ব্যক্তির গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
স্থানীয় ও দিঘলিয়া থানার পুলিশ জানায়, হালিমা স্টার জুট মিলের শ্রমিক জিন্নাতের স্ত্রী। গতকাল সকালে জিন্নাত কাজে গেলে প্রতিবেশী রবিউল তাঁদের ঘরে ঢোকেন। রবিউল ঘর থেকে টাকা নিতে গেলে হালিমা দেখে ফেলেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। এ সময় রবিউল হালিমার গলা চেপে ধরেন। প্রতিবেশীরা হালিমার গোঙানির শব্দ পেয়ে ঘরে ঢুকতেই রবিউল পালিয়ে যান। হালিমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হোসাইন বলেন, ‘হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আমরা ধারণা করছি, ঘর থেকে টাকাপয়সা নেওয়ার জন্য রবিউল ঘরে ঢোকেন। বিষয়টি হালিমা দেখে ফেলায় তাঁর গলা চেপে ধরেন। রবিউল পালিয়ে থাকায় তাঁর মা ও স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
ফরিদপুরের লক্ষ্মীপুর গ্রামের কয়েকজন জানান, অন্যদিনের মতো মঙ্গলবার রাতে উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের হোটেল ব্যবসায়ী শাজাহান ব্যাপারী নিজ ঘরে একাই ঘুমিয়ে ছিলেন। গতকাল সকালে পরিবারের লোকজন ঘরে তাঁর গলা কাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে সংবাদ দেন।
সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন বলেন, শাজাহান ব্যাপারীর স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে আছে। তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক না থাকায় তিনি একা থাকতেন। কী কারণে, কারা হত্যা করেছে, এখনো জানা যায়নি।
দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হোসাইন বলেন, ‘হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আমরা ধারণা করছি, ঘর থেকে টাকাপয়সা নেওয়ার জন্য রবিউল ঘরে ঢোকেন। বিষয়টি হালিমা দেখে ফেলায় তাঁর গলা চেপে ধরেন। রবিউল পালিয়ে থাকায় তাঁর মা ও স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
ফরিদপুরের লক্ষ্মীপুর গ্রামের কয়েকজন জানান, অন্যদিনের মতো মঙ্গলবার রাতে উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের হোটেল ব্যবসায়ী শাজাহান ব্যাপারী নিজ ঘরে একাই ঘুমিয়ে ছিলেন। গতকাল সকালে পরিবারের লোকজন ঘরে তাঁর গলা কাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে সংবাদ দেন।
সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন বলেন, শাজাহান ব্যাপারীর স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে আছে। তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক না থাকায় তিনি একা থাকতেন। কী কারণে, কারা হত্যা করেছে, এখনো জানা যায়নি।
