কারাগারে ঢোকানোর সময় অন্য বন্দীদের মতো আবদুর রহিমকেও (৩৪) তল্লাশি করা হয়। এ সময় তাঁর পায়ুপথ থেকে এক হাজার ৬৪৪টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করেন কারারক্ষী এরশাদুল্লাহ। ইয়াবা উদ্ধারের কথা আবদুর রহিমের ‘হিস্ট্রি টিকিটে’ লিখে রাখেন কারা কর্তৃপক্ষ। কারা বিধি-৫৪৯ অনুযায়ী, প্রত্যেক বন্দীকে কারাগারে গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর একটি ‘হিস্ট্রি টিকিট’ সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে।
রহিমের শরীর তল্লাশি করে এক হাজার ৬৪৪টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধারের পর ১১ দিন পেরিয়ে গেলেও তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা করেনি চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারা কর্তৃপক্ষ। কারা রেজিস্টার ও মামলার নথিতে দেখা যায়, নগরের কর্ণফুলী থানার পুলিশ ৮ সেপ্টেম্বর নগরের শাহ আমানত সেতু এলাকা থেকে ১০০টি ইয়াবা বড়িসহ আবদুর রহিমকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে কর্ণফুলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হারুন অর রশিদ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেন। এই মামলায় পরদিন তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। এরপর কারাগারে দেহতল্লাশি করে রহিমের পায়ুপথ থেকে এক হাজার ৬৪৪টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
এ প্রসঙ্গে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও চট্টগ্রাম মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফখরুদ্দিন চৌধুরী বলেন, কারাগারে প্রবেশের সময় কোনো বন্দীর শরীর তল্লাশি করে এতগুলো ইয়াবা বড়ি উদ্ধারের ঘটনায় কারা কর্তৃপক্ষের উচিত ছিল সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করা।
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ তত্ত্বাবধায়ক মো. ছগির মিয়া ইয়াবা উদ্ধারের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘আমি বেশ কিছুদিন ঢাকায় কাজে ব্যস্ত ছিলাম। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করে মামলা করতে হলে অবশ্যই করব।
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ তত্ত্বাবধায়ক মো. ছগির মিয়া ইয়াবা উদ্ধারের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘আমি বেশ কিছুদিন ঢাকায় কাজে ব্যস্ত ছিলাম। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করে মামলা করতে হলে অবশ্যই করব।
