মেহেন্দীগঞ্জে উপজেলা পরিষদ উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ১৩:০০
 
বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। এখন পর্যন্ত  অপ্রীতিকর কোন ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবে  বিএনপি’র দলীয় প্রার্থী সৈয়দ রফিকুল ইসলাম লাবু, ইসলামী আন্দোলনের সমর্থিত প্রার্থী মেজর অব. নাসির উদ্দিন খান এবং বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম ওয়াহিদ হারুন বেলা ১০ টায় নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।
 
ওই তিন প্রার্থীর অভিযোগ, আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী এডভোকেট মুনসুর আহমেদের সমর্থকরা অর্ধশত ভোট কেন্দ্র দখল করে নিয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রের সামনে অবস্থান নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর সমর্থকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের আসতে বাধা দিয়ে একচেটিয়া নিজেদের পক্ষে জাল ভোট দিয়ে যাচ্ছেন দখলকারীরা।
 
এ উপজেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগ সমর্থিত এডভোকেট মুনসুর আহমেদ (দোয়াত কলম), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সমর্থিত মেজর অব. নাসির উদ্দিন খান (কাপ পিরিচ), বিএনপি সমর্থিত সৈয়দ রফিকুল ইসলাম লাবু (আনারস), বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম ওয়াহীদ হারুন (মটরসাইকেল) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
 
পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত খোরশেদ আলম ভুলু (উড়োজাহাজ), বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল জব্বার কানন (তালা), বিএনপি সমর্থিত ২০ দলীয় জোটের সাইফুর রহমান (চশমা)।
 
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত রওমান বিনতে শফিকুল ইসলাম রুমন (পদ্মফুল), বিদ্রোহী প্রার্থী আফরোজা কবীর শিউলী (প্রজাপতি), বিএনপি সমর্থিত মুনমুন আক্তার রুবী (ফুটবল), বিদ্রোহী প্রার্থী চৌধুরী শরিফা নাসরিন শামিম হায়দার (কলস), স্বতন্ত্র প্রার্থী আলেয়া বেগম (হাঁস)প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
 
উপজেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুল কাদির জানান, মেহেন্দীগঞ্জ ও কাজীরহাট থানা নিয়ে গঠিত এ উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় সর্বমোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৭৯ জন। উপজেলার কাজীরহাট থানার ১৯টি ও মেহেন্দীগঞ্জ থানার ৫৫টিসহ মোট ৭৪টি ভোট কেন্দ্রের ৮৯৯টি বুথে ভোট গ্রহণের জন্য ৬০২জন প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার কর্মরত রয়েছেন।
 
পুলিশ সুপার একেএম এহসান উল্লাহ জানান, মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় শতাধিক সেনা সদস্যদের পাশাপাশি ৯০০ পুলিশ,‌ র‌্যাব, কোস্টাগার্ড, বিজিবি, আনসার ও  ভিডিপি নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করছেন। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।