খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ১৯:৩৪
 
 
একাধিক সময়ের আবেদন না মঞ্জুর করে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করেছে আদালত। সোমবার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক বাসুদেব রায় মামলার বাদির আংশিক সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।
আংশিক সাক্ষ্য গ্রহণের পর আগামী ১৩ অক্টোবর পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেছে আদালত।
এদিকে একাধিক সময়ের আবেদন না মঞ্জুর করে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করায় খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আদালতের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে আবেদন দিয়েছেন। কিন্তু বিচারক ওই আবেদনের ওপর কোন আদেশ না দিয়েই সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করেছেন বলে জানান খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার।
এদিকে পুরান ঢাকার আলিয়া মাদ্রা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী এজলাশে বসেছিলো বিশেষ জজ আদালত-৩। এই আদালতে ট্রাস্ট সংক্রান্ত মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিলো। দুর্নীতি দমন কমিশনের কৌঁসুলি ও মামলার বাদীরা আদালতে হাজির ছিলেন। তবে হরতালে নিরাপত্তার কারণে আদালতে যাননি খালেদা জিয়া। তার পক্ষে দুটি সময় আবেদন দাখিল করা হয়। আদালত এই দুটি আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপর সাক্ষ্য গ্রহণ মুলতুবি রাখার জন্য আবেদন দেন খালেদার আইনজীবীরা। আপিল বিভাগে দুটি মামলার কার্যক্রম সংক্রান্তে লিভ টু আপিল বিচারাধীন রয়েছে উল্লেখ করে এ আবেদন দেয়া হয়। ওই আবেদনগুলোর ওপর শুনানি শেষে বিচারক তা নামঞ্জুর করে সাক্ষ্যগ্রহণের আদেশ দেন। এরপর আইনজীবীরা উচ্চ আদালতে বিচারাধীন মামলার বিষয়ে ৬৩ ডিএলআর এ উল্লেখিত সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে আবারো সাক্ষ্যগ্রহণ মুলতবি চান। শুনানি শেষে ওই আবেদনও নামঞ্জুর করেন আদালত।
সাক্ষ্য গ্রহনের পর দুদকের আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজল বলেন, মামলার ৪০ কার্যদিবসে মাত্র পাঁচ বার আদালতে উপস্থিত হয়েছেন খালেদা জিয়া। বিভিন্ন অজুহাতে তার অনুপস্থিতি দেখিয়ে এ মামলার কার্যক্রম দীর্ঘায়িত করা হচ্ছিল। তাই আদালত সাক্ষ্য গ্রহন করেছেন।
গত ১৯ মার্চ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়ার চ্যারিটেবল ট্রাস্ট্রের ওই মামলায় খালেদা জিয়া ও তার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়।