নতুন প্রকল্পে ১৭০ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ১৮:৪৮



চলতি অর্থবছরে (২০১৪-১৫) নতুন প্রকল্পে প্রায় ১৭০ কোটি ডলার সহায়তা দেয়ার লক্ষ্য নিয়েছে বিশ্বব্যাংক। প্রাধান্য পাবে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত। সংস্থাটির অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্প নিয়ে দুদিনব্যাপী ত্রিপক্ষীয় বৈঠক শেষে সোমবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের উপদেষ্টা (পরিচালনা) ক্রিস্টিনা ই কাইমস বৈঠকের বিষয়ে বলেছেন, নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এবার প্রথম বারের মতো বাংলাদেশ সরকারের সাথে চলমান প্রকল্প ছাড়াও নতুন প্রক্রিয়াধীন প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এবারের বৈঠকে নতুন ১১ প্রকল্পের প্রস্তাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে নেয়া নতুন প্রকল্পও রয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে চলমান প্রকল্প নিয়ে দুই দিনব্যাপী পর্যালোচনা সভায় বিশ্বব্যাংক, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) ছাড়াও বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছে। বৈঠকে সরকারের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন ইআরডি’র অতিরিক্ত সচিব কাজী সফিকুল আজম।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে চলমান প্রকল্পগুলোয় সবমিলিয়ে বিশ্বব্যাংক ৭০০ কোটি ডলারের সহায়তা দেয়ার চুক্তি রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় চলমান ২৪টি প্রকল্প ভালো গতিতে চললেও চলমান ১০ প্রকল্পকে সমস্যা কবলিত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর বাইরে আরো ছয়টি প্রকল্পে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী অর্থছাড় হচ্ছে না। গত দুইদিনে ২২টি চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা হয়েছে। সময় মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ধীরগতির প্রকল্পে গতি ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্বব্যাংকের দেয়া তথ্যানুযায়ী, স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত সংস্থাটি সবমিলিয়ে ১৮.৬ বিলিয়ন ডলার দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যা মোট বৈদেশিক সহায়তার ২৯ ভাগ। এর মধ্যে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে রেকর্ড পরিমান ৯৪ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার ছাড় করেছে। চলতি (২০১৪-১৫) অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে অর্থাৎ জুলাই-আগস্ট সময়ে সংস্থাটি বিভিন্ন প্রকল্পের অনুকূলে ছাড় করেছে ৮ কোটি ৪৫ লাখ ডলার যা আগের অর্থবছরের সময়ের চেয়ে বেশি। প্রকল্পের অগ্রগতি এবং অর্থছাড়ে গতি আনতে প্রতি ছয় মাস অন্তর এ ধরনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।