ঢাকার বাইরে অন্য বড় শহরগুলোতে ট্যাক্সিক্যাব নামানোর জন্য সরকার আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টকে অনুমতি দিয়েছিল। চট্টগ্রামে ১৫০টি ট্যাক্সিক্যাব নামানোর অনুমতি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু গত এক বছরে তারা একটিও ক্যাবও নামাতে পারেনি।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০১০ সালে প্রণীত ট্যাক্সিক্যাব নীতিমালায় চট্টগ্রাম মহানগরকে কেন্দ্র করে ৫০০ ট্যাক্সিক্যাব চলাচলের কথা বলা হয়। এই ট্যাক্সিক্যাব চলাচলের সীমানা চট্টগ্রাম মহানগর থেকে কক্সবাজার জেলা শহর পর্যন্ত বিস্তৃত।
বিআরটিএ সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে পৌনে ২০০ ট্যাক্সিক্যাব নেমেছিল বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শুরুতে। এ গুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। তবে নগরের রাস্তায় মাঝে-মধ্যে কয়েকটি ট্যাক্সিক্যাব চলতে দেখা যায়।
অন্য বড় শহরের মধ্যে সিলেটে ২০০ ট্যাক্সিক্যাবের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু পর্যটন এলাকা হিসেবে খ্যাত এই শহরে ট্যাক্সিক্যাব নামানোর বিষয়ে সরকারি কোনো উদ্যোগ নেই। সিলেটে আগে কখনই ট্যাক্সিক্যাব নামেনি। এই পর্যন্ত ট্যাক্সি নামানোর লক্ষে কাউকে দায়িত্বও দেয়নি সরকার।
নীতিমালা অনুসারে, নতুন ট্যাক্সিক্যাব নামানোর জন্য উপযুক্ত প্রতিষ্ঠান বাছাইয়ের লক্ষ্যে বিআরটিএ দরপত্র আহ্বান করবে। এই দরপত্র যাচাই-বাছাই করার কথা ট্যাক্সিক্যাব পরিচালনার উপযুক্ত প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের জন্য গঠিত কমিটির। গত এক বছরে বিআরটিএ এ ধরনের কোনো দরপত্র আহ্বান করেনি। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন উপযুক্ত প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিটিও এই বিষয়ে কোনো বৈঠক করেনি।
বড় শহরে ট্যাক্সিক্যাব নামানোর বিষয়ে জানতে চাইলে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এ এন সিদ্দিক গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, চট্টগ্রামে খুব শিগগিরই ট্যাক্সিক্যাব চালু হবে। কিছু ট্যাক্সিক্যাব চলেও আসার কথা। আর সিলেটের বিষয়টি সরকারের পরিকল্পনায় আছে। নতুন করে ট্যাক্সিক্যাব নামানোর যে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে, তাতে সিলেটের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হবে।
বিআরটিএ সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে পৌনে ২০০ ট্যাক্সিক্যাব নেমেছিল বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শুরুতে। এ গুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। তবে নগরের রাস্তায় মাঝে-মধ্যে কয়েকটি ট্যাক্সিক্যাব চলতে দেখা যায়।
অন্য বড় শহরের মধ্যে সিলেটে ২০০ ট্যাক্সিক্যাবের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু পর্যটন এলাকা হিসেবে খ্যাত এই শহরে ট্যাক্সিক্যাব নামানোর বিষয়ে সরকারি কোনো উদ্যোগ নেই। সিলেটে আগে কখনই ট্যাক্সিক্যাব নামেনি। এই পর্যন্ত ট্যাক্সি নামানোর লক্ষে কাউকে দায়িত্বও দেয়নি সরকার।
নীতিমালা অনুসারে, নতুন ট্যাক্সিক্যাব নামানোর জন্য উপযুক্ত প্রতিষ্ঠান বাছাইয়ের লক্ষ্যে বিআরটিএ দরপত্র আহ্বান করবে। এই দরপত্র যাচাই-বাছাই করার কথা ট্যাক্সিক্যাব পরিচালনার উপযুক্ত প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের জন্য গঠিত কমিটির। গত এক বছরে বিআরটিএ এ ধরনের কোনো দরপত্র আহ্বান করেনি। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন উপযুক্ত প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিটিও এই বিষয়ে কোনো বৈঠক করেনি।
বড় শহরে ট্যাক্সিক্যাব নামানোর বিষয়ে জানতে চাইলে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এ এন সিদ্দিক গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, চট্টগ্রামে খুব শিগগিরই ট্যাক্সিক্যাব চালু হবে। কিছু ট্যাক্সিক্যাব চলেও আসার কথা। আর সিলেটের বিষয়টি সরকারের পরিকল্পনায় আছে। নতুন করে ট্যাক্সিক্যাব নামানোর যে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে, তাতে সিলেটের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হবে।
ট্যাক্সিক্যাব কবে নাগাদ নামবে জানতে চাইলে ট্রাস্ট ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাজী আবিদুস সামাদ প্রথম আলোকে বলেন, চট্টগ্রামে ট্যাক্সিক্যাব নামানোর বিষয়ে খুবই ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। কিছুদিন অপেক্ষা করেন, নামবে।
