কুড়িগ্রাম সীমান্তে চাঞ্চল্যকর ফেলানী হত্যাকাণ্ডের পুনর্বিচার কার্যক্রম ২য় দিনের মতো চলছে। ভারতের কোচবিহারে বিএসএফ’র সেক্টর হেড কোয়াটারের বিশেষ আদালতে বিচারের কাজ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে ভারতের চৌধুরী হাট সীমান্তের আর্ন্তজাতিক সীমানা পিলার ৯৪৭ এর নিকট ফেলানী হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বিচারিক আদালতের একটি প্রতিনিধি দল।
বিচারিক কার্যক্রম ও প্রতিনিধি দলের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুড়িগ্রাম ৪৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্ণেল মোফাজ্জল হোসেন আকন্দ।
সুত্র জানায়, কুচবিহারের বিএসএফ’র সদর দফতরে স্থাপিত বিশেষ আদালতের স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স কোর্টে এ বিচার কার্যক্রম সোমবার শুরু হয়েছে। এদিকে ভারতের বিশেষ আদালতে স্বাক্ষ্য দিতে ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম, মামা আব্দুল হানিফ, ৪৫ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল মোফাজ্জল হোসেন আকন্দ ও পাবলিক প্রসিকিউটর আব্রাহাম লিংকনসহ ৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ পেলেই ভারতের আদালতে স্বাক্ষ্য দিতে যাবেন তারা।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানী তার বাবার সাথে ভারত থেকে ফুলবাড়ীর অনন্তপুর সীমান্ত দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে নির্মমভাবে নিহত হয়। ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। বিশেষ আদালতে অমিয় ঘোষকে অভিযুক্ত করে সাক্ষ্য দেয় ফেলানীর বাবা ও মামা। ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বিশেষ আদালত অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেয়।
