দিল্লী চিড়িয়াখানায় বাঘের হানায় এক ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পাঁচিলের উচ্চতা কম হওয়ায় পাঁ পিছলে ওই যুবক খাঁচার ভেতরে পড়ে যান। যদিও চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, যুবক নিজেই খাঁচার ভিতরে ঢুকে পড়েন। বেশ কিছুক্ষণ পর আক্রমণ করে বাঘটি।
পুরো ঘটনা নিজের মোবাইলের ভিডিও ক্যামেরায় তুলে রাখেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বাঘ ও ওই যুবকের মাঝে দূরত্ব খুব কম। পরিণতি বুঝতে পেরে বাঘের সামনে হাতজোড় করে আছেন যুবকটি। যেন প্রাণভিক্ষা চাইছেন।
কিন্তু, কোনও অনুনয়-বিনয়ই কাজে এল না। কয়েক মিনিটের মধ্যে আছড়ে পড়ে সাদা বাঘের থাবা। এভাবেই বাঘের আক্রমণে মৃত্যু হল যুবকের।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মহালয়ার দিন অন্যদের সঙ্গে দিল্লী চিড়িয়াখানায় ঘুরতে গিয়েছিল দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র হিমাংশু।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, চিড়িয়াখানায় বাঘের খাঁচার চারপাশের পাঁচিলের উচ্চতা অত্যন্ত কম। বাঘ দেখতে গিয়ে পা পিছলে ভেতরে পড়ে যায় ওই যুবক।
প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, প্রায় ১৫ মিনিট ধরে যুবককে নিয়ে বাঘটি টানাটানি করলেও, চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের কেউ আসেনি।
অভিযোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। যদিও চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, বাঘ দেখতে ওই যুবক খাঁচার ভেতরে ঢুকে পড়াতেই এই ঘটনা ঘটেছে।
১৯৯৬ সালে কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানায় বাঘিনী শিবার গলায় মালা পরাতে খাচায় ঢুকে পড়েন এক যুবক। শিবার আক্রমণে মৃত্যু হয় তার।
