মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, এ কে খন্দকার একজন বিশ্বাসঘাতক। সবার কাছ থেকেই তিনি সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন। ১৯৭১ সালের মে মাস পর্যন্ত এ কে খন্দকার পাকিস্তান থেকে বেতন নিয়েছিলেন। এরপর ভারতে গিয়েছিলেন। সম্প্রতি একটি বই লিখে তিনি তার চরিত্র উন্মোচন করেছেন। একই সঙ্গে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতিকে কালিমালিপ্ত করেছেন। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জয় বাংলা লীগ আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, সমপ্রতি সংসদে বিচারপতিদের নিয়ে একটি বিল পাস হয়েছে। এটা নিয়ে বিএনপি নেত্রী হরতাল ডাকলেন। তাও আবার জামায়াতের সঙ্গে যোগসূত্র করে। তিনি বলেন, যে বিল পাস হয়েছে, তা সারা বিশ্বের সঙ্গে মিল রেখে করা হয়েছে। শুধু একটা দেশের সঙ্গে মিল নেই। সেটা হলো পাকিস্তান। ১৯৫৬ সালে আইয়ুব খান মার্শাল ল করে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল করেছিলেন। এটা আইয়ুব খানের আবিস্কার। আর আমাদের দেশে করেছিলেন জিয়াউর রহমান।
আয়োজক সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কায়সার ই আলম প্রধানের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সতীশ চন্দ্র রায়, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী মুহাম্মদ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক।
