মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট তুরস্ক সীমান্তের কাছে কুর্দি-অধ্যুষিত সিরীয় এলাকায় মঙ্গলবার রাতে কয়েক দফা বিমান হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র তার আরব সহযোগীদের নিয়ে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জঙ্গিদের বেশ ক্ষয়ক্ষতি করেছে। তবে সহজে তাদের পরাজিত করা যাবে না বলে মানছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার পেন্টাগনের এক মুখপাত্র বলেছেন, এই লড়াই শেষ হতে কয়েক বছর লেগে যেতে পারে। তুরস্ক সীমান্তবর্তী সিরীয় শহর কোবানের আশপাশে নতুন বিমান হামলার খবরের মধ্যে লড়াইয়ের স্থায়িত্ব নিয়ে পেন্টাগন মুখপাত্রের ওই মন্তব্য শোনা গেল।
পেন্টাগনের ওই মুখপাত্র একজন সামরিক কর্তা। তার নাম রিয়ার অ্যাডমিরাল জন কারবি। তিনি বলেছেন, সিরিয়ায় চালানো বিমান হামলা এরই মধ্যে আইএসের সক্ষমতাকে সফলভাবে ‘কমিয়ে দিয়েছে’। তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি, যেখানে চেয়েছিলাম, ঠিক সেখানেই আঘাত করেছি।‘ তবে তিনি এও বলেন যে, আইএস যে ‘মারাত্মক হুমকি’ সামনে নিয়ে এসেছে, তা কয়েক দিন বা মাসে নিশ্চিহ্ন করা যাবে না। এটা হতে যাচ্ছে একটা ব্যাপক প্রচেষ্টা, যেখানে অন্তর্ভুক্ত থাকবে সবাই। আমরা মনে করি, এটা কয়েক বছরের বিষয় হবে।’
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি জানিয়েছেন, আইএসবিরোধী লড়াইয়ে ৫০টিরও বেশি দেশ যোগ দিয়েছে। তিনি নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এই সন্ত্রাসীদের কোথাও নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পেতে দেব না।’ তুরস্কের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকের পর কেরি বলেন, লড়াইয়ে আরব দেশগুলোর পাশাপাশি তুরস্কও যোগ দেবে। তবে তুরস্ক গতকাল বলেছে, তখন পর্যন্ত বিমান হামলায় তাদের বিমান কিংবা সে দেশে অবস্থিত মার্কিন বিমান ঘাঁটি ব্যবহৃত হয়নি।
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি জানিয়েছেন, আইএসবিরোধী লড়াইয়ে ৫০টিরও বেশি দেশ যোগ দিয়েছে। তিনি নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এই সন্ত্রাসীদের কোথাও নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পেতে দেব না।’ তুরস্কের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকের পর কেরি বলেন, লড়াইয়ে আরব দেশগুলোর পাশাপাশি তুরস্কও যোগ দেবে। তবে তুরস্ক গতকাল বলেছে, তখন পর্যন্ত বিমান হামলায় তাদের বিমান কিংবা সে দেশে অবস্থিত মার্কিন বিমান ঘাঁটি ব্যবহৃত হয়নি।
