সমরাস্ত্রে নয়, গুণগত শিক্ষায় বিনিয়োগ করুন: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ১৬:১৩
 
 
সমরাস্ত্র নির্মাণে ব্যয়িত শত শত কোটি ডলার গুণগত শিক্ষায় বিনিয়োগের জন্য বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার বিকালে এখানে জাতিসংঘ সদর দফতরে ট্রাস্টিশিপ কাউন্সিলে জাতিসংঘ মহাসচিবের ‘গ্লোবাল ফাস্ট ইনিশিয়েটিভ (জিইএফআই)’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের আলোচনাসভায় তিনি এই আহ্বান জানান। খবর: বাসসের।
শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বকে শান্তির জনপদ হিসাবে গড়ে তুলতে আগামী প্রজন্মের জন্য সুশিক্ষা নিশ্চিত করায় সমরাস্ত্র নির্মাণ এবং সহিংসতায় বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় হচ্ছে। আসুন, শান্তি ও সহিংসতামুক্ত সংস্কৃতি গড়তে আমরা সবাই মিলে গুণগত শিক্ষায় বিনিয়োগ করি।
তিনি বলেন, জিইএফআই’কে অবশ্যই গুণগত শিক্ষা বিকাশে সম্পদ আহরণের জন্য বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব ও ঐকমত্য গড়ে তুলতে হবে।
‘ইসরাইলী ধ্বংসযজ্ঞের কারণে ফিলিস্তিনের গাজা শহরের লাখ লাখ শিশু স্কুলে যেতে পারছে না’Ñ বিশ্ব নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিউনিশিয়ার প্রেসিডেন্ট মনসেপ মারজুকির দেয়া এই বক্তব্যের সমর্থনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গাজা পরিস্থিতি গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। গাজায় সংঘটিত ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে সবার সোচ্চার হতে হবে। 
তিনি বলেন, এমডিজি বাংলাদেশকে শিক্ষা ও জেন্ডার সমতার ক্ষেত্রে চ্যাম্পিয়নে আসীন হতে সহায়তা করেছে। ২০১৫ পরবর্তী সময়ে গুণগত শিক্ষা হচ্ছে আমাদের অগ্রাধিকার। ২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের ১২ কোটিরও অধিক তরুণ ও কর্মঠ জনশক্তি থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান শিক্ষানীতিতে নতুন একটি জাতীয় পাঠক্রম ও সৃজনশীল পদ্ধতি প্রবর্তিত হয়েছে। একই সঙ্গে মূলধারার বিজ্ঞান ও আইসিটি শিক্ষার সঙ্গে সংগতি রেখে মাদ্রাসা শিক্ষারও সংস্কার করা হয়েছে। 
শেখ হাসিনা বলেন, গুণগত শিক্ষার জন্য তথ্য-প্রযুক্তি ভিত্তিক বিষয়সমূহ অন্তর্ভূক্ত করা জরুরি। এজন্য বাংলাদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে তথ্য-প্রযুক্তি ভিত্তিক বিষয় বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশের মাধ্যমে প্রযুক্তি জ্ঞানসমৃদ্ধ সমাজ গঠনের লক্ষ্যে শিক্ষাখাতে একটি মাস্টারপ্লান বাস্তবায়ন করছে।