গত ২৮ এপ্রিল ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন আইনের ২৬/১ ধারায় মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত। গুলশান থানায় ২০১০ সালের ১৩ জুন দায়ের করা মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ২০১০ সালের ১৩ এপ্রিল সম্পদের হিসাব চেয়ে বিনিয়োগ বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও জ্বালানি উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমানকে নোটিস দেয় দুদক। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি হিসাব না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে এ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন।
এর আগে এ মামলার অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করার যুক্তি তুলে ধরে আসামিপক্ষ সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর আবেদন জানায়। এতে সাক্ষীগ্রহণ পেছানোও হয়। গত ১১ সেপ্টেম্বর হাই কোর্টে বিচারপতি বোরহান উদ্দিন ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের বেঞ্চ ওই আবেদন খারিজ করে দেয়। এর আগে মাহমুদুর মামলাটি বাতিলের জন্যও হাই কোর্টে এসেছিলেন। মে মাসে অন্য একটি বেঞ্চ সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।সম্পদের হিসাব দাখিল না করা সংক্রান্ত মামলায় দৈনিক আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ বাসুদেব রায়ের আদালতে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের প্রথম সাক্ষী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক নূর আহাম্মদ সাক্ষ্য দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল জানিয়েছেন, প্রথমদিন সাক্ষী নূর আহাম্মদের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ২০ অক্টোবর পরবর্তী দিনে জেরা হবে। আদালতে মাহমুদুরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া। পুরান ঢাকার বকশিবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে এ মামলার বিচার চলছে।
