গণজাগরণ মঞ্চের ‘গণপদযাত্রা’

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ২৩:৩০

১৯ অক্টোবর যুদ্ধপরাধীদের ফাঁসি ও জামায়াত শিবির নিষিদ্ধের দাবিসহ ছয়দফা দাবিতে আইনমন্ত্রণালয় অভিমুখে পদযাত্রা কর্মসূচি দিয়েছে গণজাগরণ মঞ্চ। শুক্রবার সন্ধ্যায় শাহবাগে গণসমাবেশে মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। গণজাগরণ মঞ্চ শিগগরিই আরো কর্মসূচী নিয়ে আসছে। সেসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ১৪ ও ১৫ নভেম্বর সারাদেশের গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীদের নিয়ে জাতীয় কনভেনশন। এ উপলক্ষে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত কনভেনশনের প্রচারণার জন্য জাগরণ যাত্রা করবে মঞ্চ।

কর্মসূচি ঘোষণার আগে সরকারের সমলোচনা করে ইমরান বলেন, “যুদ্ধাপরাধীদেরর সঙ্গে সরকারের যে আঁতাতের প্রশ্ন উঠেছে, রায় পরিবর্তনের মাধ্যমে তা আরও সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কিন্তু এটা হতে দেওয়া হবে না। জনগণের প্রয়োজনে গণজাগরণ মঞ্চ রাজপথে থেকে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।”
এদিকে একই স্থানে একই দাবিতে সমাবেশ করেছে গণজাগরণ মঞ্চের কামাল পাশা নেতৃত্বাধীন অংশ। কয়েক মাস আগে গণজাগরণ মঞ্চে দ্বিধা বিভক্তি দেখা দেওয়ার পর থেকেই শাহবাগে জাদুঘরের সামনে ৫০ গজের মধ্যে প্রতিটি কর্মসূচি পালন করছে মঞ্চের দুই অংশ। বরাবরের মতোই জাদুঘরের প্রধান ফটকের বামপাশে কামাল পাশা অংশ এবং ডানপাশে ইমরান অংশ ছিল। প্রায় প্রতি শুক্রবারই থাকে তাদের সমাবেশ, সেই সঙ্গে থাকে উচ্চ পর্যায়ের সাউন্ড সিস্টেম। আগত অনেকেই এ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন। বলেছেন, এ ধরনের দাবিতে বিভক্তি প্রত্যাশা করেন না।
সমাবেশে কামাল পাশা অংশকে উদ্দেশ্য করে ইমরান বলেন, “আমরা এক সপ্তাহ আগে কর্মসূচি দিয়েছি, তখন অন্য কারও কর্মসূচি ছিল না। “একটি পক্ষ আছে যারা বরাবরের মতোই আমরা কর্মসূচি দিলেই তারাও পাল্টা কর্মসূচি দিয়ে বড় বড় মাইক লাগিয়ে আমাদের বক্তব্যে বাধা সৃষ্টি করছে। তাদের একমাত্র উদ্দেশ্যই হলো আমাদের গণজাগরণের কন্ঠ যাতে মানুষ না শুনতে পারে।” অবশ্য কামাল পাশা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা কারও কর্মসূচি অনুসরণ করছেন না। তারা নিজেরাই প্রতি শুক্রবারই সমাবেশ করে থাকেন।