মধ্যবর্তী নির্বাচনের সম্ভবনা নাকোচ করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন? এমন কী সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে? কার জন্য মধ্যবর্তী নির্বাচন প্রয়োজন? এটা কি অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী জিয়াউর রহমানের দলকে ক্ষমতায় আনতে? স্থানীয় সময় শুক্রবার নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন। খবর: বাসসের।
বিএনপির সঙ্গে সংলাপের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্র অনুযায়ী সংসদের বাইরে থাকা কোন রাজনৈতিক দলের জন্য তার কিছু করার নেই।
তিনি বলেন, সংলাপ কি? কার সঙ্গে? সংসদীয় গণতন্ত্রে বিরোধী দলের সংজ্ঞা কি?
এ প্রসঙ্গে কোন দলের নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, কেউ নির্বাচন বর্জন করতে চাইলে তা তাদের সিদ্ধান্ত, আমার নয়। তারা নির্বাচনে অংশ না নিলে আমি কি করতে পারি? কোন দল ভুল সিদ্ধান্ত নিলে তার মাসুল তাদেরই দিতে হবে।
জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসেন সাইদীর সাজা হ্রাস ও দলটির সঙ্গে সমঝোতার অভিযোগের ব্যাপারে তিনি বলেন, আদালতই সিদ্ধান্ত নেবেন তার সর্বোচ্চ সাজা হবে কি হবে না। আমরা বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপ করি না। স্বাধীন বিচার বিভাগ তাদের রায় দিলে কিভাবে সমঝোতার কথা আসে?
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে আওয়ামী লীগ সরকারই উদ্যোগ নিয়েছে। অন্য কোন দল তাদের বিচারের উদ্যোগ নেয়নি। বরং তাদেরকে মন্ত্রী বানানো হয়েছে এবং তাদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দেয়া হয়েছে। যারা তাদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেছে, মন্ত্রী বানিয়েছে তারাও সমান অপরাধী। আগে তাদের বিচার হওয়া উচিত। বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের প্রতিষ্ঠিত হতে সহায়তা করেছে। তাই বিএনপিকেও বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।
