বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভারত। শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় বেলা পৌনে একটায় এই বৈঠক শুরু হয়।
প্রায় ৩০ মিনিটের এই বৈঠকে দুই নেতা অত্যন্ত হৃদ্যতার সঙ্গে কুশল ও মতবিনিময় করেন। তারা দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন। এর মধ্যে তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তি ছিল অন্যতম আলোচ্য। তিস্তা চুক্তি ও স্থলসীমান্ত ইস্যুর বিষয়টি তার সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছেন বলে মোদি উল্লেখ করেন।
ম্যানহাটনের নিউইয়র্ক প্যালেস হোটেলে অনুষ্ঠিত এই বৈঠক বাংলাদেশের বাংলাদেশের উন্নয়নের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা তাকে ঢাকা আসার আমন্ত্রণ জানালে মোদি সুবিধাজনক সময়ে বিষয়টি বিবেচনা করার আশ্বাস দেন।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা তুলে ধরে বঙ্গবন্ধুরকন্যার নেতৃত্বগুণের প্রশংসা করে মোদি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু দেশ বানায়া, উস কি লাড়কি দেশ বাঁচায়’) বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা করেছেন বঙ্গবন্ধু, আর তার কন্যা বাংলাদেশকে রক্ষা করছেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থনীতি, ট্যুরিজম, সার্ক স্যাটেলাইট ইত্যাদি বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। এছাড়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিত দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নে আন্তরিকতা প্রকাশ করেন মোদি। অটিজম নিয়ে কাজ করার জন্য পুরস্কৃত হওয়া শেখ হাসিনার কন্যা পুতুলেরও প্রশংসা করেন তিনি।
বৈঠকে বাংলাদেশর প্রতিনিধি দলে আরো উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, পরারাষ্ট্রমন্ত্রী মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি দীপু মনি, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এম এ মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী প্রমুখ।
