চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কোলাগাওঁ ইউনিয়নের লাখেরা গ্রামে উর্মি আকতার (২০) নামে এক গৃহবধূকে গলায় ওড়না পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা অভিযোগে তার স্বামী রমজান আলীর ও সতিন নুর আয়েশাকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রমজান আলী দুই বছর পূর্বে উর্মি আকতারকে বিয়ে করে। উর্মি রমজান আলীর তৃতীয় স্ত্রী। গত ২৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রমজান আলী ঘরে এসে বন্ধু-বান্ধব নিয়ে মদ্যপান করে। একপর্যায়ে রমজানের বন্ধুরা স্ত্রী উর্মি আকতারকে ধর্ষণের চেষ্টা চালালে উর্মি আকতার টয়লেটে ঢুকে দরজা বন্ধ করে রক্ষা পায়। পরে সকালে উর্মি এ ঘটনা তার মা হালিমা বেগমকে জানান। পরে শনিবার রাত দুইটার দিকে রমজান তার স্ত্রীকে পাচ্ছে না বলে খুঁজতে যায় শাশুড়বাড়িতে। এ সময় উর্মির বাবা ও মার সন্দেহ হলে তারা স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেয়।
পুলিশ রমজান ও রমজানের ১ম স্ত্রী নুর আয়েশাকে আটক করলে তারা উর্মির গলায় ওড়না পেচিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করে। পরে তাদের দেয়া তথ্য থেকে তোতার বাপের পোলের ১হাজার গজের পশ্চিম-পূর্ব দিকে বৈদ্যুতিক টাওয়ারের নিচ থেকে উর্মির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ব্যাপারে কালারপোল পুলিশ ফাড়িঁর এস আই সত্যজিত রঞ্জন খাসকেল জানান, উর্মিকে তার স্বামী রমজান আলী ও বড় বউ নুর আয়েশা গলায় ওড়না পেছিয়ে হত্যা করে তোতার বাপের পোলের ১হাজার গজের পশ্চিম-পূর্ব দিকে বৈদ্যুতিক টাওয়ারের নিচে ফেলে দেয়। এ ঘটনায় উর্মির বাবা একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
