প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য সংবিধান ভাঙতে হবে, এ শিক্ষা বঙ্গবন্ধু দিয়ে যাননি: ড. কামাল হোসেন

আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪, ০০:০৭

রোববার সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের লোকনাথ পৌর কমিউনিটি সেন্টারে জেলা গণফোরাম আয়োজিত ‘কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১১ দফার ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্যের ডাক’- শীর্ষক সুধী–সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ড. কামাল হোসেন।

সমাবেশে কামাল হোসেন বলেন, ‘দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ বলেছিল অবস্থার চাপে বাধ্যবাধকতার অজুহাতে তারা নির্বাচন করছে। নির্বাচনের পর তারা সংলাপ করবে, কথাবার্তা বলবে, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করবে। আওয়ামী লীগ কথা দিয়ে কথা রাখেনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘দেশের ৯০ শতাংশ লোক বলছে এ নির্বাচন হয়নি। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে আদালত মেনে নিলেও জনগণ এ নির্বাচনের প্রতিনিধিদের মানতে বাধ্য নয়’।
কামাল হোসেন আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য সংবিধান ভাঙতে হবে, এ শিক্ষা বঙ্গবন্ধু দিয়ে যাননি। তিনি আমাদের জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নীতি-আদর্শ দিয়ে গেছেন। কোনো প্রকার আলাপ-আলোচনা না করেই ষোড়শ সংশোধনী করা হলো। এ সংশোধনী মানা হলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা থাকবে না। আগে বিচারক নিয়োগের আইন, বিচারকদের অপসারনের আগে সুষ্ঠু তদন্তের আইন করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা গণফোরাম সভাপতি তারিক উর রউফ। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন গণফোরামের কার্যকরী পরিষদ সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সহসভাপতি জগলুল হায়দার, পররাষ্ট্র বিষয়ক সম্পাদক আবদুল হাসিব চৌধুরী। স্থানীয়দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গণতান্ত্রিক আইনজীবি সমিতির জেলা সভাপতি সফিকুর রহমান, গণফোরামের সদর উপজেলা সভাপতি আবদুল হক, কসবা উপজেলা আহ্বয়াক দেলোয়ার হোসেন, আশুগঞ্জ সদস্য সচিব ইসতিয়াক আহমেদ, ব্যবসায়ী নেতা বাবুল চন্দ্র বনিক ও আকরাম হোসেন প্রমুখ।