সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যানজট এড়াতে ঢাকার ভেতরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের চারটি পয়েন্ট ছাড়া আর কোথাও সভা-সমাবেশ করতে দেয়া হবে না। বুধবার ঢাকা ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন অথরিটির (ডিটিসিএ) এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠক শেষে গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে গিয়ে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, ডিটিসিএ’র সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জনস্বার্থে ও যানজট কমাতে সড়কের পরিবর্তে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের চারটি পয়েণ্টে রাজনৈতিক দলের সভা সমাবেশ করার অনুমতি দেয়া হবে। এছাড়া কেবল সাপ্তাহিক ছুটির দিনেই ঢাকায় সভা সমাবেশের অনুমতি দিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি প্রস্তাব পাঠানো হবে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও জানান তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজধানীর রাস্তায় মিছিল সমাবেশের কারণে যানজট তীব্র হয়, যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। এতে সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে পড়ে। তিনি বলেন, সড়কে চলাচল নির্বিঘ্ন করতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রাস্তার ওপর বসানো অবৈধ গরুর হাট উচ্ছেদ করা হচ্ছে।
সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, আগামী নভেম্বর মাসেই শুরু হবে ঝিলমিল থেকে গাজীপুর পর্যন্ত বিআরটিএ সড়ক নির্মাণ কাজ। এছাড়া ফেব্রুয়ারি মাস থেকে মেট্রোরেল নির্মাণের ফিজিক্যাল কাজ শুরু করারও আশ্বাস দেন মন্ত্রী। মৌচাক-মগবাজার ফ্লাইওভার নির্মাণ কাজ সম্পর্কে তিনি বলেন, এখানে কিছু সমস্যা ছিলো। তা নিরসন করা হয়েছে। আপতত এ এলাকার যানজট কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে চলে এসেছে। ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখনও কোথাও কোথাও চাঁদাবাজি হচ্ছে বলে সংবাদ মাধ্যমে দেখেছি। আমাদের সিদ্ধান্ত হয়েছে, যেভাবেই হোক চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। এজন্য তিনি গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান। কোথাও কোনো চাঁদাবাজির সংবাদ পেলে মন্ত্রণালয়কে জানাতেও অনুরোধ জানান মন্ত্রী।
