ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযোদ্ধা শিক্ষক ও কর্মচারীদের চাকরির মেয়াদ দুই বছর বাড়ানো হয়েছিল। কিন্তু মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সিন্ডিকেট সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্ধিত মেয়াদ কমিয়ে এক বছর করা হয়েছে।
তবে ভবিষ্যতে মুক্তিযোদ্ধা সনদ জমা দেবেন—এই শর্তে যে পাঁচ অধ্যাপক ও এক কর্মকর্তা বয়স বাড়িয়েছিলেন, তাঁদের ব্যাপারে আলাদা কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এদের একজন ইতিমধ্যেই এক বছর এলপিআরে কাটিয়েছেন, যা চাকরির স্বাভাবিক সময় হিসাবে ধরে নেওয়া হয়েছে।
২০১০ সালের ১৩ মে সিন্ডিকেট সভায় মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অবসর গ্রহণের বয়স দুই বছর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হয়। ২০১১ সালের ৬ জুলাই অপর এক সভায় বলা হয়, ‘মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় থেকে সনদ নেওয়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।’
কিন্তু সনদের জন্য আবেদনকারী ও সনদ ছাড়াই পাঁচজন শিক্ষককে নজিরবিহীন এ সুবিধা দেওয়া হয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয় দাবি করেছে, এই সিদ্ধান্তের সময় শিক্ষক ও কর্মকর্তারা মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের আবেদনপত্রে যেসব প্রমাণাদি জমা দিয়েছিলেন সেগুলো গ্রহণ করা হয়েছে।
২০১২ সালের ৬ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় গণকর্মচারীদের চাকরির মেয়াদ সাধারণ গণকর্মচারীদের চেয়ে এক বছর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু তারপরও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দুই বছর মেয়াদ বৃদ্ধি রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রাখতে থাকলে চলতি বছর ৪ আগস্ট এক প্রজ্ঞাপনে সরকার বিষয়টি মনে করিয়ে দেয়।
