বেসরকারি সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) নয় মাসের মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা ‘ক্রসফায়ারের’ সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছে র্যাব। গতকাল বুধবার কয়েকটি দৈনিকে ওই প্রতিবেদনের উল্লেখ করে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। আসকের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত নয় মাসে র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ২৯ জন নিহত হয়েছেন। তবে র্যাব বলছে, নয় মাসে তাদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ১৭ জন নিহত হয়েছেন।
র্যাবের বক্তব্যে বলা হয়, ‘প্রতিবেদনটি সঠিক নয়। প্রতিবেদনে বন্দুকযুদ্ধে নিহতদের সংখ্যা ঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়নি। এভাবে সংবাদ প্রকাশের কারণে যেসব বাহিনী জঙ্গি দমন বা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এটা সংস্থার সদস্যদের মনোবলের ওপরও আঘাত করে।’
র্যাবের ব্যাখ্যার বিষয়ে আসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সংস্থাটি জানায়, পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন ধরে তারা ওই হিসাব বের করেছে। আসকের পাঠানো পত্রিকার কাটিং থেকে দেখা যায়, সুন্দরবনের নারিকেলবাড়িয়ায় বন্দুকযুদ্ধে ১১ জন নিহত হয়েছে বলে গত ২০ জানুয়ারি একটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি র্যাব অস্বীকার করেছে।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান বলেন, সুন্দরবনে ওই সময়ে এ রকম কোনো ঘটনা ঘটেনি।
