ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও প্রযুক্তিমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর ইসলামবিরোধী বক্তব্য এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের কামলা বলার প্রতিবাদে নিউইয়র্কে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ অব্যাহত রয়েছে। বিক্ষোভ সমাবেশে মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীর মন্ত্রিসভা থেকে শুধু পদত্যাগ নয় তাকে মুরতাদ ঘোষণা করে তার ফাঁসি দাবি করা হয়েছে।
স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় সচেতন প্রবাসী সমাজের উদ্যোগে জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার সিটি প্লাজায় আয়োজন করা হয় বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশের। যুবদল নেতা আমানত হোসেন আমানের পরিচালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্র সফররত ঢাকা মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল সালাম, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা গিয়াস উদ্দিন, মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম, যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরী, আবু সাঈদ আহমেদ, সাদী মিন্টু, আব্দুল কদির, ফয়সাল মাস্টার, আহমেদুর রহমান প্রমুখ।
বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম বলেন, মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী যে মঞ্চে আমাদের ধর্ম, প্রিয় নবী এবং প্রবাসীদের অপমান করে বক্তব্য দিয়েছেন সেখানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের উচিত ছিল মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী যখন নবী করিম (সা.) এবং ইসলামবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন প্রতিবাদ করা।
তিনি বলেন, অবৈধ সরকারের অবৈধ মন্ত্রীর ইসলামবিরোধী বক্তব্যের প্রতিবাদ করা ফরজ। তাই আমি এখানে এসেছি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগে লতিফ সিদ্দিকী একা নয় আরো দায়িত্বশীল লোকজন আছেন যারা ইসলামবিরোধী বক্তব্য দেন। আসলে আওয়ামী লীগ নেতারা ইচ্ছে করেই ইসলামবিরোধী বক্তব্য দেন। তাদের পরিকল্পনা হলো ইসলামবিরোধী বক্তব্য দিলে ভারত খুশি হবে এবং তাদের ক্ষমতায় রাখবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যদি সত্যিকার ইসলামে বিশ্বাস করেন তাহলে মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীকে মন্ত্রী থেকে বাদ দেবেন এবং আইনের মাধ্যমে বিচার করে তাকে ফাঁসি দেবেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে সরকার ও মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেয়া হয়।
