ঈদুল আযহা ও দুর্গা পূজায় বেনাপোল স্থল বন্দর বন্ধ থাকলেও দেশি-বিদেশি যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক রাখতে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের কর্মকর্তা কর্মচারীরা ছুটি ভোগ করতে পারছেন না। কর্তৃপক্ষ বাতিল করেছে তাদের ছুটি।
পূজা, ঈদ ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ৭দিন ছুটি থাকলেও অতিরিক্ত যাত্রী পারাপারের জন্য কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টে কর্মরত কাস্টমসের সহকারী কমিশনার শরফুদ্দিন আহম্মেদ, ইমিগ্রেশন পুলিশের পরিদর্শক আখতার হোসেন ও বিজিবির নায়েক সুবেদার গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বছরের প্রতিটি দিনই আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট খোলা রাখার নিয়ম তাই ঈদের ছুটি থাকার পরও বিশেষ ব্যবস্থায় যাত্রী পারাপার চালু রাখা হয়েছে। যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই চেকপোস্টে কর্মরত কাস্টমসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে বলে জানান বেনাপোল শুল্ক ভবনের সহকারী কমিশনার শরফুদ্দিন আহম্মেদ।
বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের পরিদর্শক আখতার হোসেন বলেন, পূজা ও ঈদের কারণে বেনাপোল দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার বেড়েছে। ইমিগ্রেশনে কর্মরত ৯০ শতাংশ সদস্যের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। দেশি-বিদেশি পাসপোর্ট যাত্রীদের পারাপারের সুবিধার্থে আমাদের ওই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
যশোর ২৬ ব্যাটালিয়ন বেনাপোল আইসিপি ক্যাম্প কমান্ডার নায়েক সুবেদার গিয়াস উদ্দিন বলেন, সীমান্তে দ্বায়িত্ব পালন করে বিজিবি। সরকারি এই জাতীয় ছুটি সবাই একসঙ্গে ভোগ করার কোন ব্যবস্থা বিজিবির নেই। তাই চেকপোস্টে কর্মরতদের ছুটিতে যাওয়ার কোন সুযোগই নেই।
এদিকে, টানা ছুটির কারণে ভারত থেকে রফতানি পণ্য নিয়ে বেনাপোল বন্দরে আটকা পড়েছে কয়েক হাজার ট্রাক। এ প্রসঙ্গে বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) আব্দুল জলিল বলেন, লম্বা ছুটির কারণে দুই দেশের মধ্যে আমদানি রফতানি বন্ধ থাকলেও বেনাপোল বন্দরে আসা ভারতীয় ট্রাক পণ্য খালাশের পর ফেরত যেতে পারবেন।
