মা-ইলিশ রক্ষা এবং ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে ১১ দিন উপকূলীয় এলাকাসহ সারা দেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন ও বিপণন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে সরকার। ৫ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বর্ষার মৌসুমের হেরফের হওয়ায় ইলিশের প্রজনন ও উৎপাদন মৌসুমেও হেরফের হচ্ছে। এ জন্য সরকার ১৯৮৫ সালের ‘মৎস্য সংরক্ষণ ও সুরক্ষা আইনের’ কিছু ধারা ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে সংশোধন করে। সংশোধিত আইনানুযায়ী, প্রতিবছর আশ্বিনের ভরা পূর্ণিমার পাঁচ দিন আগে ও পাঁচ দিন পর পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। সংশোধিত আইনে নিষেধাজ্ঞাকালীন এসব কর্মকাণ্ডের জন্য আটক ব্যক্তিকে এক থেকে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং কমপক্ষে এক হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বঙ্কিম চন্দ্র বিশ্বাস জানান, এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ৬ অক্টোবর সকাল থেকে প্রতিটি উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম চলবে। যৌথ বাহিনীর টহল অব্যাহত থাকবে। এ সময় উপকূলের সব বরফকলও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞাকালীন যাতে কেউ মাছ ধরতে না পারে সে জন্য কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট ২৪ জেলার মৎস্য কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বঙ্কিম চন্দ্র বিশ্বাস জানান, এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ৬ অক্টোবর সকাল থেকে প্রতিটি উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম চলবে। যৌথ বাহিনীর টহল অব্যাহত থাকবে। এ সময় উপকূলের সব বরফকলও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞাকালীন যাতে কেউ মাছ ধরতে না পারে সে জন্য কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট ২৪ জেলার মৎস্য কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
